Home আঞ্চলিক জি.এম হাট তা’লিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদ্রাসায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

জি.এম হাট তা’লিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদ্রাসায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

0

‘প্রাথমিক স্তরেরই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে’

লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মহান স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। শিক্ষার ভিত্তি রচিত হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তাই প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সঠিক নিয়মে শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার জি.এম.হাট তা’লিমুল উম্মাহ এবতেদায়ী ক্যাডেট মাদরাসা শুরু থেকেই মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের চেষ্টা করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির এই প্রচেষ্টাকে বেগবান করতে দলমত নির্বিশেষ সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জি.এম.হাটস্থ তা’লিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদরাসা আয়োজিত আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। ২০০৯ সালে বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাটিতে বর্তমানে প্লে গ্রপ থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত চালু রয়েছ্।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দুপুরে মাদরাসা মিলনায়তনে পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জি.এম.হাট বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন মিলন, ফুলগাজী উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য রিয়াজ চৌধুরী, জি.এম.হাট ৪ নং ওয়ার্ডের (নূরপুর) আওয়ামীলীগ সভাপতি সালেহ আহমদ ভূঁঞা, ৬ নং ওয়ার্ডের (শরীফপুর) সভাপতি কাজী কবির আহমেদ, মাদরাসার সহসভাপতি রুহুল আমিন মিন্টু, পরিচালনা কমিটির সদস্য আবদুল মাবুদ ভূঁঞা, কাজী শহীদ উল্লাহ, অভিভাবক মহিউদ্দিন ভূঁঞা ও রাহেনা আক্তার।

মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মাওলানা মহিউদ্দিন ভূঁঞা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। পরে মেধাবী ছাত্রদের এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর আগে সকালে সারাদেশে একযোগে শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে মাদরাসার দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। অনুষ্ঠানের শেষার্ধে অভিভাবক সমাবেশে মাদরাসার সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, শিশুদের শিক্ষালয়ে ভর্তি করিয়েই অভিভাবকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। অভিভাবকদেরকে শিশুর শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে সক্রিয়ভাবে লেগে থাকতে হবে। শিশুর পড়ালেখা ও সঠিকভাবে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করাকে সব কিছুর ওপর প্রাধান্য দিতে হবে। শিশুর পাঠ্য উপকরণ ও ড্রেস সরবরাহ, টিউশন ফি নিয়মিত পরিশোধ, নিয়মিত ডাইরি দেখা ও হোমওয়ার্ক সম্পন্ন করতে সহায়তা, সুষম পুষ্টিকর খাবার, বিশ্রাম, খেলাধুলা এবং বাসা-বাড়ীতে নিয়মিত পড়ালেখার বিষয়গুলো তদারকি করতে হবে। বিদ্যালয়ের সঙ্গে অভিভাবকদেরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে তুলতে হব।

তিনি আরো বলেন, পরিবেশ শিশুদের সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত করে। তাই বিদ্যালয়, বাসাবাড়ী, পাড়ামহল্লাসহ শিশুর বিচরণ ক্ষেত্রে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবকদেরকে সচেতন হতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.