Home শীর্ষ সংবাদ থাইল্যাণ্ডের গুহায় আটকে পড়া কিশোর ফুটবলারদের ৪ জনকে বের করে আনা হয়েছে

থাইল্যাণ্ডের গুহায় আটকে পড়া কিশোর ফুটবলারদের ৪ জনকে বের করে আনা হয়েছে

0

থাইল্যান্ডের এক পর্বত গুহায় আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলারদের মধ্যে চারজনকে বের করে এনেছেন উদ্ধারকারী ডুবুরি দল। এদের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল কিশোরকে প্রথমে বের করে আনা হয়। ১৫ দিন ধরে এরা গুহায় আটকে আছে। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। আশা করা যাচ্ছে, বাকীদেরও আগামী দুই কি তিন দিনের মধ্যে বের করে আনা সম্ভব হবে। তবে বার বার এটাও বলা হচ্ছে যে, এতে প্রচুর ঝুঁকি রয়েছে।

থাইল্যান্ডের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, উদ্ধার চারজনকে এখন চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে দেখছেন।

বিবিসি ও সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে উদ্ধারকারী দল গুহায় প্রবেশ করে। চিকিৎসকদের পরামর্শে প্রথমে সবচেয়ে দুর্বল কিশোর ফুটবলারকে বের করে আনা হয়। এরপরই আরও তিনজন বের হয়ে আসে। উদ্ধারকারী দলে বিদেশি ১৩ জন ডুবুরি ও থাই নৌবাহিনীর পাঁচজন ডুবুরি রয়েছেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে প্রথম কিশোর, ৫টা ৫০ মিনিটে দ্বিতীয় কিশোরকে বের করে অানেন উদ্ধারকারীরা। এর ১৬ মিনিট পর তৃতীয় ও চতুর্থ কিশোরকেও গুহার ভেতর থেকে বাইরে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের সবাইকে গুহার পাশে ফিল্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। উদ্ধারকারীদের নাম ও পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গুহার বাইরে অপেক্ষমাণ উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা বলছেন, তারা জানতে পেরেছেন আরও চারজন গুহা থেকে বের করে আসার অপেক্ষা আছেন।

এদিকে উদ্ধার কার্যক্রমের সফলতা কামনা করে পুরো থাইল্যান্ডজুড়ে প্রার্থনা করা হচ্ছে। গুহার মুখে পর্যাপ্ত অক্সিজেন, অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।

থাইল্যান্ডের দীর্ঘতম গুহার একটি থাম লুয়াং। গত ২৩ জুন বেড়াতে গিয়ে বন্যার কারণে সৃষ্ট প্লাবনে আটকা পড়ে ফুটবল দলটি। এর নয় দিন পর ২ জুলাই তাদের জীবিত থাকার খবর দেয় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। তারা গুহায় ঢোকার পর হঠাৎ ভারী বৃষ্টি এবং এতে সৃষ্ট বন্যায় ডুবে যায় গুহামুখ। ভেতরেও ঢুকে পড়ে পানি। প্রথমে ধারণা করা হচ্ছিল, এই গুহায় কিশোরের দল মাসব্যাপী থাকতে পারবে। তবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় আশঙ্কা করা হচ্ছে, আবারও বৃষ্টির পানি গুহায় ঢুকে যেতে পারে। তাই দ্রুত তাদের বের করে আনতে আজকের এ উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

একজন অপারেশন কমান্ডার বলেন, একজন একজন করে সবাইকে বের করার মধ্য দিয়ে এই অভিযান শেষ করতে দু-তিন দিন লাগতে পারে। আর এ সময়টা নির্ভর করবে আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.