Home রাজনীতি জনগণের নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের সমস্যা সমাধান হবে না: মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক

জনগণের নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের সমস্যা সমাধান হবে না: মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক

0

ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন ২০১৮ সম্পন্ন

খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, দেশের প্রতিটি সেক্টর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। লাগামহীন লুটপাট চলছে। প্রশাসন ও বিচার বিভাগ ক্ষমতাসীন দলের কথায় উঠবস করছে। বিরোধী মতকে দমন-পীড়নের জন্য নতুন নতুন আইন বানানো হচ্ছে। বিচার বিভাগকে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। আগামী একাদশ নির্বাচনকেও বিগত ৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তি করতে চায় সরকার। সরকারের এসব স্বপ্ন পূরণ হবে না, দেশের মানুষ জেগে উঠেছে। মানুষ পরিবর্তন চায়, মানুষ মুক্তি চায়। জনগণের নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের সমস্যা সমাধান হবে না।
আজ ১৪ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর শাহজাহানপুরস্থ মাহবুব আলী ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্র মজলিসের ২দিন ব্যাপী কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইলিয়াস আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল এইচএম খালেদ আহমদের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতি ও শুক্রবার, ২দিন ব্যাপী এ সদস্য সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আগত সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ২০১৮-২০১৯ সেশনের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়াস আহমদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত হয়েছেন মনসুরুল আলম মনসুর। নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ মুনতাসির আলী।
২দিন ব্যাপী সম্মেলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন- সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও খেলাফত মজলিস যুগ্মমহাসচিব এডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন সাদী, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ হুজাইফা।
নবমনোনীত সেক্রেটারি জেনারেল মনসুরুল আলম মনসুরের পরিচালনায় সমাপনী অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র মজলিসের, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় অফিস ও প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক মুহাম্মদ আবদুল জলিল, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রভাষক মোহাম্মদ আবদুল করিম, তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, এডভোকেট মাওলানা শায়খুল ইসলাম, প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, মাওলানা আজীজুল হক এবং খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, কেন্দ্রীয় অর্থ ও আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারেক ফজল, সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ সেলিম হোসাইন, সাবেক কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদককে এম জুলহাস, মুহাম্মদ মাসুদ হোসাইন, সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কিবরিয়া।
বিদায়ী পরিষদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন- সদ্যবিদায়ী সেক্রেটারি জেনারেল এইচএম খালেদ আহমদ, কেন্দ্রীয় অফিস ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও জোনাল সহকারি এস.এম জাকির হোসাইন। সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বায়তুলমাল ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ মনির হোসাইন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী সভাপতি মুহাম্মদ শাহীন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি মুহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি মুহাম্মদ রমজান আলী, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল গাফফার প্রমুখ।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, আজকে বিশ্বে নানামুখী সংকঠ চলছে। বিশেষ করে মুসলিম বিশ্ব প্রকট সংকটের মুখোমুখী। এ সংকট মোকাবেলায় মুসলমানদের জ্ঞান ও চরিত্রের বলে বলিয়ান হতে হবে। ছোট খাটো মতপার্থক্য ভুলে সকল মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মুসলিম দেশগুলোতে প্রকৃত ঈমানদার মুসলমানদের নেতৃত্ব কায়েম করতে হবে। ইসলামী ছাত্র মজলিসের সদস্যদেরকে আগামীর সঙ্কট মোকাবেলায় জ্ঞান ও যোগ্যতায় আরও বলিষ্ট হয়ে ওঠতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.