Home আন্তর্জাতিক ‘আফগানিস্তানে মার্কিন ঘাঁটির কাছেই বসবাস করতেন মোল্লা ওমর’

‘আফগানিস্তানে মার্কিন ঘাঁটির কাছেই বসবাস করতেন মোল্লা ওমর’

0
মোল্লা ওমরের ছবি; ডানদিনের ছবিটি ১৯৭৮ সালে তোলা, বামদিকের নীচেরটি ১৯৯২ সালের এবং উপরেরটি ১৯৯৬ সালে তোলা। ছবি- পার্সটুডে’র সৌজন্যে।

উম্মাহ অনলাইন: যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের তালেবান নেতা মোল্লা ওমরকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করলেও তিনি স্বাভাবিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির কাছেই নিশ্চিন্তে বসবাস করেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

হল্যান্ডের অনুসন্ধানি সাংবাদিক বেট্টে ড্যামের লেখা ‘দ্যা সিক্রেট লাইফ অব মোল্লা ওমর’ বইয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বইটিতে বলা হয়েছে, মোল্লা ওমর পাকিস্তানে পালিয়ে গেছেন বলে আমেরিকা দাবি করে আসলেও তিনি কখনোই পাকিস্তানে যাননি। এর পরিবর্তে মোল্লা ওমর তার নিজ প্রদেশ জাবুলে অবস্থিত একটি বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে তিন মাইল দূরে বসবাস করেছেন। মিজ ড্যাম তালেবান নেতাদের সাক্ষাৎকার নেয়া ও তাদের ওপর গবেষণার কাজে পাঁচ বছর সময় ব্যয় করে বইটি লিখেছেন।

২০০১ সালে আফগানিস্তানে ইঙ্গো-মার্কিন আগ্রাসনে তালেবান সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান মোল্লা ওমর। ওই সময় তালেবান নেতার দেহরক্ষীর দায়িত্ব পালনকারী জব্বার ওমরি’র সঙ্গে কথা বলতে সক্ষম হন বেট্টে ড্যাম। ২০১৩ সালে অসুস্থতার জের ধরে স্বাভাবিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তালেবান নেতাকে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন ওমরি।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে উৎখাত করে আমেরিকা।  ওয়াশিংটন মোল্লা ওমরের মাথার দাম ঘোষণা করে এক কোটি ডলার। কিন্তু তা সত্ত্বেও মার্কিন সেনাদের নাকের ডগায় অবস্থিত একটি বাড়িতে ১২ বছর অবস্থান করেন মোল্লা ওমর। বইটিতে বলা হয়েছে, একবার মার্কিন সেনারা ওই বাড়িটিতে তল্লাশিও চালিয়েছিল। কিন্তু তারা তালেবান নেতাকে খুঁজে (!) পায়নি।

আত্মগোপনে থাকার এই সময়টিতে মোল্লা ওমরের পক্ষে তালেবানকে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি বলে জব্বার ওমরি জানিয়েছেন। তবে তালেবান যোদ্ধারা  সব সময় দাবি করে আসতেন যে, তারা মোল্লা ওমরের নির্দেশে কাজ করছেন। বেট্টে ড্যামের লেখা বইটি গতমাসে ডাচ ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে এবং শিগগিরই এর ইংরেজি ভার্সন বাজারে আসবে বলে বিবিসি জানিয়েছে। -পার্সটুডে।

রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থানান্তরের ব্যাপারে জাতিসংঘ প্রতিনিধির উদ্বেগ প্রকাশ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.