Home স্পোর্টস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স

0

উম্মাহ স্পোর্টস: বিপিএলের মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এই ম্যাচে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষে পৌছে যায় রংপুর। বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের চতুর্থ ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে রংপুরকে মাত্র ৬৩ রানে টার্গেট দেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এখন পর্যন্ত বিপিএলের এই আসরে প্রথম ইনিংসে করা এটাই সর্বনিম্ন স্কোর। এই ম্যাচে কুমিল্লার আফ্রিদির করা ২৫ রান ছাড়া আর কেউই দুই অংকের ঘরে যেতে পারেনি।

বিপর্যয় আর কাটিয়ে উঠতে না পেরে মাত্র ৬৩ রানে অল আউট হয়ে মাঠ ছাড়ে ভিক্টোরিয়ান্সরা। আর হেসে খেলে ৯ উইকেটে জয় তুলে নেয় রংপুর। ৪৯ বল হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাইডার্সরা।

মঙ্গলবার(৮জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মাত্র ৬৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে চ্যাম্পিয়নরা। রংপুরের তৃতীয় ম্যাচে মাঠে দেখা যায় ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইল। কিন্তু কিছু করতে পারেনি এই হার্ড হিটার মাত্র ১ রানেই আবু হায়দারের বলে ক্যাঁচ তুলে দিয়েই ফিরে যান তিনি। এর পর আর পিছনে তাকাতে হয়নি রংপুরকে। মেহেদি মারুফ (৩৬) ও রেলি রুশোর (২০) ব্যাটে ভর করেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাইডার্স।

প্রথমে টস হেরে ব্যাট করতে নামে তামিম ইকবালের কুমিল্লা। কিন্তু মাশরাফীর ঝড়ে থেমে থমকে যায় তাদের ব্যাট। রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাই নিয়েছে একা ৪ উইকেট। বাকী ৩টার দুই উইকেট শফিউল ও ১ টি ফারহাদ রেজা তুলে নেয়। মাশরাফীর প্রথম শিকার হন তামিম ইকবাল (৪)। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে নাজমুল ইসলাম অপুর তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার।

পরের ওভার করতে এসে দ্বিতীয় বলেই তুলে নেন ইমরুল কায়েসকে। মাশরাফীর বলে রাবি বোপারার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন কায়েস (২)।

ম্যাশ এর তৃতীয় শিকার ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান এভিন লুইস (৮)। বিধংসী এই ব্যাটসম্যানকে বাউন্ডারির কাছাকাছি অপুর তালুবন্দি করেন রংপুরের অধিনায়ক। কুমিল্লার দলীয় রান তখন ১৮। এরপর কুমিল্লার ব্যাটিংয়ে হানা দেন শফিউল ইসলাম। নিজের করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে এলবির ফাঁদে ফেলেন শোয়েব মালিককে (০)। আর স্মিথকে কোন রান করার সুযোগ না দিয়েই সাজঘরে ফেরার রংপুর অধিনায়ক নিজে। কুমিল্লার দলীয় রান তখনও ১৮।

ক্যাচ বানিয়ে সাইফুদ্দিন (৭) কে ফেরান শফিউল আর বিজয়কে ক্যাঁচ বানিয়ে ফেরান ফরহাদ রেজা। তারপর আঘাত হানলেন অপু। পরপর শহিদ আফ্রিদিকে(২৫) ক্যাঁচ ও মেহদী হাসানকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে ঘরে ফেরান। আবারো আবু হায়দার রনিকে (৫) ক্যাচ বানিয়ে ফেরান অপু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.