Home রাজনীতি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের কারণে পীযুষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে: যুব জমিয়ত

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের কারণে পীযুষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে: যুব জমিয়ত

গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ রমজান) পল্টনস্থ জমিয়ত কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিলে নেতৃবৃন্দ বলেন, ইসলামে আবশ্যক পালনীয় রাসুল (সা.)-এর সুন্নত দাড়ী রাখা, টাখনুর উপর কাপড় পরিধান করা করা’সহ বেশ কিছু মুসলিম জীবনাচারের লক্ষণকে জঙ্গী লক্ষণ হিসেবে তুলে ধরে “সম্প্রীতি বাংলাদেশ” নামক সংগঠন মারাত্মক ইসলাম অবমাননা ও ধর্মীয় বিদ্বেষের মতো অপরাধ করেছে। রাসূল (সা.)এর সুন্নতকে জঙ্গীর আলামত হিসেবে তুলে ধরায় গভীর ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে যুব জমিয়ত নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে কথিত ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’এর আহ্বায়ক পীযুষ বন্দোপাধ্যায়কে গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছেন।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, কথিত এই ‘সম্প্রীতির বাংলাদেশ” বাংলাদেশের বিদ্যমান সুন্দর ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে ও অবমাননা করে মুসলিম যুবকদেরকে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিতে ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু তাদের বুঝা উচিত, আমরা মুসলিমরা অতটা বোকা নই যে, তাদের ষড়যন্ত্র বুঝব না। ইনশাআল্লাহ শান্তির ধর্ম ইসলাম ধর্মীয় সহনশীলতা ও পরমত সহিষ্ণুতা শেখায়। পীযুষদের মতো ষড়যন্ত্রকারীদের উস্কানীতে কোন মুসলমান বিভ্রান্ত হবে না।

বক্তারা বলেন, এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, বাংলাদেশে এই পীযুষ গংরা ভারতীয় এজেন্ট হয়ে কাজ করছে। পীযুষের এধরনের বক্তব্য মুসলমানদের হৃদয়ে আঘাত করেছে এবং প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে। পীযুষদের এই ষড়যন্ত্রের অবশ্যই বিচার করতে হবে।

তারা বলেন, গত ১২মে জাতীয় দৈনিকে সম্প্রীতি বাংলাদেশ যেই বিজ্ঞাপন দিয়েছে, সারা দেশে তার প্রতি ধিক্কার ও সমালোচনার জোয়ার বয়ে যাওয়ার মুখে এখন তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে তা অস্বকীর করছে। তাদের এই অস্বীকারের দাবি একেবারেই ভিত্তিহীন। যদি তারা এই বিজ্ঞাপন না দিয়ে থাকে তাহলে প্রশ্ন হলো, তারা এই বিজ্ঞাপনের তদন্ত করছে না কেন? যদি সম্প্রীতি বাংলাদেশ এই বিজ্ঞাপন না দিয়ে থাকে এই বিজ্ঞাপন কারা দিল? “সম্প্রীতি বাংলাদেশ” এর দ্রুত তদন্ত করে জাতীর সামনে পরিস্কার করুক। অন্যথয় যুব জমিয়ত জনগণকে সাথে নিয়ে মাঠে নামতে বাধ্য হবে।

মাওলানা তাফহীমুল হক্বের সভাপতিত্বে ও মাওলানা ইসহাক কামালের সঞ্চানলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহাদ্দিস মুফতী জাকির হোসাইন কাসেমী।

আরও পড়ুন- ‘শত অপপ্রচার-বিদ্বেষের মুখেও বিশ্বব্যাপী ইসলামের প্রতি আগ্রহ বাড়ছেই’

বক্তব্য রাখেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা জয়নুল আবেদীন, সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা ফয়যুল হাসান খাদিমানী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী নাসিরুদ্দীন খান, অফিস সম্পাদক মাওলানা আব্দুল গাফফার ছয়ঘরী, কার্যনির্বাহী সদস্য যুব জমিতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুফতী গোলাম মাওলা, কবি মুসা আল হাফিজ, সবার খবর পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা আব্দুল গাফফার, ইনসাফ সম্পাদক সাইয়্যেদ মাহফুজ খন্দকার, টাইমস্ সম্পাদক আবু সুফিয়ান।

অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র জমিয়তের সাবেক সহ সভাপতি হাফেজ বোরহান উদ্দীন, আরিফুর রহমান, ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হুযাইফা ওমর, ঢাকা মহানগর সাবেক প্রচার সম্পাদক মারজানুল বারী, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, ঢাকা মহানগর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নূর হোসাইন সবুজ, মহদী হাসান, মারুফ প্রমুখ।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.