Home অর্থনীতি মিতসুবিশি মটরস্ বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদনের কারখানা স্থাপন করবে

মিতসুবিশি মটরস্ বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদনের কারখানা স্থাপন করবে

মিতসুবিশির এমন সব গাড়ি এখন থেকে তৈরি হবে বাংলাদেশেও। ছবি: সংগৃহীত।

ডেস্ক রিপোর্ট: জাপানের বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানি মিতসুবিশি মটরস কোম্পানি বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় পলিসি সাপোর্ট চায় বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে। চট্টগ্রামের মিরেরসরাইয়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল জোনে এ কারখানা স্থাপন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে কোম্পানিটি প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী বিনিয়োগ করবে।

গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে দেখা করে মিতসুবিশি মটরস কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট রায়োজিরো কোবাসি এ সব তথ্য জানান।

বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)–র আমন্ত্রণে জাপানের এ বৃহৎ কোম্পানিটির ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশ সফর করছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রস্তাবিত কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করে কোম্পানিটি মিরেরসরাইকে বেছে নিয়েছে। কোম্পানিটি বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে। কোম্পানিটি প্রথমে গাড়ি এ্যাসম্বল করবে। পর্যায়ক্রমে গাড়ি তৈরির সব কাজ বাংলাদেশে সম্পন্ন করবে।

মিতসুবিশি মটরস কোম্পানির প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। শতভাগ বিনিয়েগের সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে এবং বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কখনো প্রয়োজন মনে করলে পুরো মূলধন এবং লাভ ফিরিয়ে নিতে পারবেন। সরকার আইন প্রণয়ন করে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করেছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করেছে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান অতি সহজেই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ব্যবসা শুরু করতে পারবে।

প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম।

আগামী জুলাই থেকে ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.