Home অর্থনীতি ২০৪১ সাল নাগাদ সারা বিশ্বের মানুষকে আমরা ঋণ দেব: সংসদে অর্থমন্ত্রী

২০৪১ সাল নাগাদ সারা বিশ্বের মানুষকে আমরা ঋণ দেব: সংসদে অর্থমন্ত্রী

- ফাইল ছবি।

ডেস্ক রিপোর্ট: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ২০৪১ সাল নাগাদ আমরা আর ঋণ নেব না, ঋণ দেব ইনশাল্লাহ। সারা বিশ্বের মানুষকে ঋণ দেব আমরা। একই সঙ্গে বাজেটের সুফল লম্বা সময় ধরে পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গতকাল জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৫ শতাংশ। মালয়েশিয়া এর চেয়ে বেশি ঋণ করে। ঋণের পরিমাণ হিসেব করা হয় জিডিপি দিয়ে। আমরা ঋণ নেই চায়নার কাছ থেকে। চায়নার ঋণের পরিমাণ জিডিপির ২৮৪ শতাংশ। ওরা আমাদেরকে ঋণ দেয়। আমাদের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৩৪ শতাংশ। ২০৪১ সাল নাগাদ আমরা আর ঋণ নেব না, ঋণ দেব ইনশাল্লাহ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বাজেট শুধু এক বছরের জন্য নয়। এই বাজেটটির ফাউন্ডেশন এই বছর। এই বাজেট থেকে আমরা ২০৪১ সাল পর্যন্ত অর্জন করতে পারব। সেভাবেই আমরা বাজেট প্রণয়ন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, ২০২৪ সালে আমরা ডাবল ডিজিট গ্রোথে পা রাখব। ২০২৪ সাল থেকে শুরু করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই বাজেটের ফলাফল পাব।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, একটা দেশ এবং জাতির সাথে অনেক মিল আছে। মানুষের জীবনে যেমনিভাবে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয় ঠিক তেমনিভাবে দেশের ক্ষেত্রেও সেটা সম্ভব হয়। দেশের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় বলেই আমরা আমাদের এই বাজেটে টাইটেল রেখেছি ‘সময় এবার আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের।’ এটা ইচ্ছাকৃতভাবে লেখা হয়েছে।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা কী দেখতে পাই? আমরা যদি মালয়েশিয়ার দিকে তাকাই, ৩০ বছরের মধ্যে মালয়েশিয়া চলে গেছে তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে, কাঙ্খিত জায়গায়। চায়নার অবস্থা কি ছিল? চায়না সবচেয়ে দরিদ্র দেশ ছিল। চায়নায় কোনো খাবার ছিল না। চায়না আজকে পৃথিবীর এক নম্বর দেশ। অর্থমন্ত্রী বলেন, যদি চায়না পারে, মালয়েশিয়া পারে, সাউথ কোরিয়া পারে- তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই পারবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রম করে বাংলাদেশকে এক অনন্য জায়গায় নিয়ে এসেছেন। ট্রেন একবার যখন ট্র্যাকের ওপর উঠে যায় তখন আর পেছনের দিকে যায় না। কোনো জাতি নাই আমাদেরকে এখান থেকে গতিচ্যুত করবে। আমরা এগোবই ইনশাল্লাহ।

বাজেটে প্রস্তাবিত বন্ডেড ওয়্যারহাউজ শতভাগ অটোমেশন করার মাধ্যমে অতিরিক্ত এক লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। নতুন এ কার্যক্রম একবছরের জন্য নয়, এটা চালু করা হয়েছে, চলমান থাকবে বলেন- আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ভিসা প্রসেসিং নিয়ে দু’পক্ষ মুখোমুখি: হুমকির মুখে সউদী আরবে জনশক্তি রফতানি