Home অন্যান্য কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে খেলাফত মজলিসের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে খেলাফত মজলিসের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

1

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, ৩৭০ ধারা বাতিল করে ভারত কাশ্মীরীদের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে। এ বিশ্বাস ভঙ্গের পরিণাম ভারতের জনে শুভ হবে না। ঐহিতাসিকভাবে কাশ্মীর ভারতে অংশ ছিলো না। যে শর্তের ভিত্তিতে কাশ্মীরকে ভারতের সাথে একিভূত করা হয় সংবিধান থেকে সেই ধারা বাতিল মানেই চুক্তি লঙ্ঘন।

তিনি বলেন, আজকে পুরো কাশ্মীরকে অবরুদ্ধ করে, ১৪৪ ধারা জারি করে, ইন্টারন্টে, মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে কাশ্মীরী জনগণের উপর ভয়াবহ জুলুম চালানো হচ্ছে। কাশ্মীরী মুসলমনাদের জীবন নিয়ে বিশ্ববাসী আজ গভীরভাবে শংকিত। কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। কাশ্মীরীদের অধিকার আদায় ও অবরুদ্ধ কাশ্মীরী জনগণকে রক্ষায় বিশ্বাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসন ও হত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘ প্রস্তাবনা অনুযায়ী কাশ্মীরী জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই গোলযোগপূর্ণ কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করতে হবে। কিন্তু ভারত শক্তি প্রয়োগ করে কাশ্মীরীদের অধিকার খর্ব করতে যুগযুগ ধরে কাশ্মীরী মুসলমানদের উপর হত্যা, জুলুম, নির্যাতন চালিয়ে আসছে। পুরো কাশ্মীর উপত্যাকা রক্তে রঞ্জিত। আবার নতুনভাবে কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসন কাশ্মীরী জনগণের অধিকারে উপর যেমন চরম আঘাত একই সাথে তা পুরো উপমহাদেশের স্থিতিশীলতার জন্যেও মারাত্মক হুমকী।

ড. আহমদ আব্দুল কাদের আরো বলেন, ইতিহাস বলে, কারফিউ জারি করে সেনাবাহিনী দিয়ে দমন-পিড়ন চালিয়ে কাশ্মীরী জনগণের ‘আজাদী’ আন্দোলনকে স্তিমিত করা যাবে না। ভারতের এই হঠকারী সিদ্ধান্ত কাশ্মীরী জনগণের ‘আজাদী’ আন্দোলনকে আরো বেগবান করবে। কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসন ও রক্তপাত, গ্রেফতার, হত্যা, নির্যাতন বন্ধে জাতিসংঘ, ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জোরালো ভূমিকা রাখাতে হবে।

গত বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সমানে ঢাকা মহানগরী সভাপতি শেখ গোলাম আসগরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, কেন্দ্রীয় অফিস ও প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জলিল, মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুল ইসলাম, হাজী নূর হোসেন, তাওহিদুল ইসলাম তুহিন, মুহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, মাওলানা সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, হাজী হারুনূল রশীদ, হুমায়ুন কবির আজাদ, কাজী আরিফুর রহমান, আমীর আলী হাওলাদার, ছাত্র মজলিস নেতা আজিজ উল্লাহ আহমদী, কে এম ইমরান হোসাইন প্রমুখ।

মানববন্ধন শেষে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। -বিজ্ঞপ্তি।

কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসন বিশ্বে স্তব্ধ করে রেখেছে: মাওলানা আতাউর রহমান