Home রাজনীতি ভারত সীমান্তে আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করলেও সরকার নিরব: রিজভী

ভারত সীমান্তে আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করলেও সরকার নিরব: রিজভী

0
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। -ফাইল ফটো।

ডেস্ক রিপোর্ট: সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাসহ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করলেও সরকার নিরব বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ও নির্যাতন আরও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেড়েছে বিএসএফের নৃশংসতার ধরনও। দেশের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় আটক বাংলাদেশিদের প্রতি ভয়ঙ্কর ও নৃশংস আচরণ করেছে বিএসএফ। যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

গতকাল (শুক্রবার) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে হত্যা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার একবারে চুপ করে বসে আছে। প্রতিবাদের বদলে বিএসএফের পক্ষ নিয়ে কথাও বলছেন সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা। দুনিয়ার কোনও সীমান্তে এত হত্যা ও রক্তপাতের একতরফা ঘটনা ঘটে না। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিবাদ হলে এসব ঘটনা কমতো। কিন্তু সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে সীমান্ত নিরাপদ হচ্ছে না। সীমান্ত হত্যা বন্ধে ব্যর্থ হয়েছে সরকার।

এ সময়, মহাসড়ক থেকে টোল আদায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনাকে গণবিরোধী উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বাংলাদেশের জনগণের পকেট কাটতেই এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। মহাসড়ক থেকে টোল আদায় করা হলে তা যাত্রীদের পকেট থেকেই দিতে হবে। এতে যানজটের তীব্রতাও বাড়বে, নষ্ট হবে সময়।

তিনি আরও বলেন, দেশের মহাসড়কগুলো টোল আদায়ের জন্য উপযুক্তই নয়। অধিকাংশ রাস্তা খানাখন্দে ভরা। বেহাল অবস্থা মহাসড়কগুলোরও। এ কারণে সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়কে টোল আদায় করলে বাস ভাড়া আরও বাড়বে।

টোল থেকে আদায় হওয়া টাকার কত অংশ সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে, এমন প্রশ্ন রেখে বিএনপির এ নেতা বলেন, সরকার নিজেরা টাকা ওঠালে সেখানে দুর্নীতির কারণে নয়-ছয় হয়। আবার ইজারা দিলে খাতিরের লোকজনকে নামমাত্র মূল্যে দেয়া হয়৷। ফলে, সরকারি কোষাগারে খুব বেশি টাকা জমা পড়ে না।

সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা রিজভী বলেন, সরকার মুখে উন্নয়নের বুলি কপচালেও মূলত লুটপাটের নীতিতে দেশ চালাচ্ছে তারা। জনগণকে নানা ট্যাক্সের মধ্যে বন্দি করে ফেলেছে। সিটি ও পৌরকর বাড়ানো হয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির বিল বাড়িয়েছে ১০ গুণের বেশি। সত্যিকার অর্থে সরকার লুটপাট চালিয়ে দেশকে ফোকলা করে ফেলেছে।

এ সময়, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জামিন বাতিলের নিন্দা জানান তিনি। রিজভী বলেন, জামিনে থাকলেও তা বাতিল করে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে ব্যারিস্টার মইনুলকে। অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়া হোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.