Home অন্যান্য খবর সাহাবাগণের জীবনী থেকে পথনির্দেশিকা ও প্রেরণা নিয়ে লক্ষ্য স্থির করতে হবে: ড....

সাহাবাগণের জীবনী থেকে পথনির্দেশিকা ও প্রেরণা নিয়ে লক্ষ্য স্থির করতে হবে: ড. আ ফ ম খালিদ

উম্মাহ প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম ওমরগনি এম, ই, এস কলেজের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান লেখক ও গবেষক অধ্যাপক অব. ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ইসলামধর্ম ও ইসলামের অনুসারী মুসলমানগণ নজিরবিহীন জুলুমের শিকার। পুঁজিবাদ ও কর্পোরেট বিশ্ব তাদের অর্থনৈতিক শোষণের পথে ইসলামের ন্যায়, ইনসাফ, সুবিচার, সাম্য, সহমর্মীতা এবং সর্বস্তরে সম্পদের সুষমবণ্টন নীতিমালাকেই বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। যে কারণে তারা হামলে পড়েছে ইসলাম ও ইসলাম অনুসারী মুসলমানদের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে মুসলমানদেরকে সাহাবায়ে কেরামের জীবনেতিহাস থেকে পথনির্দেশিকা ও প্রেরণা নিয়ে লক্ষ্য স্থির করতে হবে। সকলপ্রকার জুলুম-নির্যাতন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ইসলামের জন্য সাহাবায়ে কেরামের নজিরবিহীন মেহনত, ত্যাগ স্বীকার ও জীবনোৎসর্গের ইতিহাস জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে। এতে যেমন পথনির্দেশিকা লাভ করা যাবে, তেমনি বড় বড় মুসিবত সামনে আসলেও হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে না। সাহাবায়ে কেরাম নজিরবিহীন আগ্রাসী শক্তির বিরদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম ও সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের মধ্য দিয়ে ইসলামের বাণী বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।

গতকাল (১৬ সেপ্টেম্বর) সোমবার হালিশহর মারকাযুল উলুম মাদরাসায় মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত শানে সাহাবা (রাযি.) শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও জেলা কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহানবী (সা.)এর নির্দেশনা পেয়ে মর্যাদাবান সাহাবাগণ দ্বীনের দাওয়াত এবং জালেম ও আগ্রাসী অপশক্তির বিরুদ্ধে জিহাদের ঝাণ্ডা নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েন। দ্বীনের স্বার্থে তাঁদের কুরবানী ও ধনসম্পদ ব্যয় মানবেতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

ড. আ ফ ম খালিদ আরো বলেন, রাসুলের সাহাবাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা অথবা তাদের বিরূপ সমালোচনা করার মানসিকতা আমাদের পরিহার করতে হবে। অন্যথায় দুর্ভোগ ও দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়বে না।

মারকাযুল উলুম মাদরাসার পরিচালক মাওলানা সানাউল্লাহ নূরী মাহমুদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও জেলা কাউন্সিলে উদ্বোধক ছিলেন আল-জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া চট্টগ্রামের মুহাদ্দিস মাওলানা ওবায়দুল্লাহ হামযাহ। এছাড়া মারকাযুস সাহাবা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা শামীম আল আরকাম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ ওলামা তোলাবা ও সাধারণ মুসল্লীগণ উপস্থিত ছিলেন।