Home অন্যান্য খবর আকাশ প্রতিরক্ষা খাতে শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরেছে পাকিস্তান

আকাশ প্রতিরক্ষা খাতে শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরেছে পাকিস্তান

0
চীনের জুহাই পার্কে প্রদর্শনীর জন্য রাখা একটি জেএফ-১৭ জঙ্গিবিমান ও সিএম-৪০০একেজি বোমা (বাঁ দিকে)। বিমান বিধ্বংসী ‘নাসর’ ক্ষেপণাস্ত্র (ডানে)।

উম্মাহ অনলাইন: ইসলামাবাদের হাতে এখন অন্তত ৬০টি সিএম-৪০০একেজি এয়ার-টু-সারফেস মিসাইল রয়েছে এবং তারা ভবিষ্যৎ জঙ্গিবিমানের ধারণা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের মিলিটারি ইয়ারবুক ২০১৭-১৮-এ এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

দুই বছরে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে ইয়ারবুকে। এই সময়ে সংগ্রহ করা সব ধরনের অস্ত্রের কথা উল্লেখ রয়েছে। এতে দেখা যায়, ১০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে ইসলামাবাদ ৬০টি চীনের তৈরি সিএম-৪০০একেজি সংগ্রহ করেছে। এসব সুপারসনিক জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র চীন পাকিস্তানের যৌথ তৈরি জেএফ-১৭ জঙ্গিবিমানে মোতায়েন করা হতে পারে। দুই বছর পরপর চীনের ঝুহাইয়ে অনুষ্ঠিত বিমান প্রদর্শনীতে জেএফ-১৭-এর সঙ্গে এই মিসাইলের ডামিও প্রদর্শিত হয়।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মতে, হায়ার এয়ারক্রাফট সারভাইবালিটি অর্জনের জন্য এই অস্ত্র হাই অলটিচুড লাঞ্চিং ব্যবহার করে। এভিআইস এই ০.৪ ব্যাসরেখার ক্ষেপনাস্ত্রটির পাল্লা ১০০-২৪০ নির্ধারণ করেছে। এটি ১৫০ কেজি ব্লাস্ট ওয়ারহেড অথবা ২০০ কেজি পেনিট্রেশন ওয়ারহেড বহন করতে পারে।

এদিকে প্রজেক্ট আযম নামে পাকিস্তানের পরবর্তী প্রজন্মের জঙ্গিবিমান (এনজিএফএ) তৈরির কাজ এগিয়ে চলেছে। এর প্রথম দফা কনসেপচুয়াল ডিজাইনিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

ইয়ারবুকে বলা হয় পিএএফ-এর চাহিদার প্রতি লক্ষ্য ডিজাইন করা প্রথম কনফিগারেশন কনসেপচুয়াল ডিজাইনকে আরো তিনটি সাইকেলের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হবে। এ ক্ষেত্রে হায়ার ফিডালিটি এনালাইসিস টুল ও কোড ব্যবহার করা হবে।

ইয়ারবুকে বলা হয়, পিএএফ-এর হাতে ৯৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ষষ্ঠ এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং এন্ড কন্ট্রোল এয়ারক্রাফট এসে পৌছেছে। এছাড়া ৯.৩ মিলিয়ন ডলারে সাব-২০০০ এয়ারক্রাফটের একটি ট্রাইও সংগ্রহ করা হয়েছে। একে মাল্টি-রোল প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করবে ইসলামাবাদ।

ইয়ারবুকে উল্লেখিত দুই বছর সময়ে পাকিস্তান ১২টি মিরেজ-৩ ও ৫ ফাইটার ওভারহল করেছে। এগুলো ডসাল্টের তৈরি। এ কাজ করা হয়েছে পাকিস্তান এরোনটিক্যাল কমপ্লেক্স-এর মিরেজ রিবিল্ড কারখানায়। সম্প্রতি এই ডসাল্টের কাছ থেকেই ভারত ৩৬টি রাফাল জঙ্গিবিমান কিনেছে।

এছাড়া প্রাট এন্ড হুইটনি ও রোলস রয়েস টি৫৬ ধরনের ইঞ্জিনগুলোতেও ব্যাপক সংস্কার কাজ করা হয়েছে।

জেএফ-১৭ বহরের জন্য ২২.৪ মিলিয়ন ডলারে পাঁচটি ক্লিমভ আরডি-৯৩ ইঞ্জিনও সংগ্রহ করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.