Home অর্থনীতি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তিনগুণ: বিপাকে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের ভোক্তা সাধারণ

পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তিনগুণ: বিপাকে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের ভোক্তা সাধারণ

0

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য পেঁয়াজের মূল্য প্রায় তিনগুণ বেড়ে যাবার কারণে দারুন অসহায়ত্ব ও বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের ভোক্তা সাধারণ। দেড় মাসের ব্যবধানে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজিপ্রতি মূল্য ৪০ টাকা থেকে লাফিয়ে ১১০ থেকে ১৩০ টাকায় পৌঁছে গেছে।

দেশের প্রধান পাইকারী বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, রোজার ঈদের আগে তাদের মোকামে আমদানীকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ৩০-৩২ টাকায়। ঈদের পর আগস্টের শেষ দিকে একই পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৪৫ টাকা কেজি দরে।

গত মাসে প্রতিবেশী দেশ ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ নব্বই থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে থাকে। এরপর মিয়ানমার, তুরস্ক ও মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে সরকার।

সরকারীবভাবে বাজার মনিটরিং, মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে শাস্তি প্রদান এবং বিভাগীয় শহরে  টিসিবি’র ট্রাকে করে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রির ব্যবস্থা করে বাজার দর কেজিপ্রতি ৯০-৯৫ টাকায় আটকানো হলেও গত সপ্তাহের বৃষ্টি ও সরবরাহ সংকটের অজুহাতে তা আবার উর্দ্ধমূখী  হয়ে পড়েছে। ভারত থেকে আগের এলসি করা পেঁয়াজ আমদানী হলেও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য এক শ্রেণির মুনাফালোভী ব্যবসায়ী দায়ী।

সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের ১০ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চারটি টিম প্রতিদিন ঢাকা শহরের বাজারগুলো মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে।

এ অবস্থায়  খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন সাধারন সম্পাদক সৈয়দ ছগির আহমেদ বলেছেন, দেশীয় নতুন পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত বিজনেস কনফিডেন্স সার্ভে ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে  সাংবাদিকদের বলেছেন,  নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের নতুন চালান দেশে প্রবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার আগে পেঁয়াজের দাম কমার কোনো সুযোগ নেই।’রোববারও তিনি বলেছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মিসরের পেঁয়াজ আসার কথা রয়েছে। এই পেঁয়াজ এলে কেজিপ্রতি ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে।

তবে সরকারের নানা উদ্যোগ ও আশ্বাসবাণীতে আস্বস্ত হতে পারছেন না ভোক্তা সাধারণ। আর তাই পেঁয়াজ  নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার পাচ্ছে নানা কৌতুকপূর্ণ অডিও-ভিডিও এবং  তির্যক সমালোচনা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ২৩ লাখ টন। এরমধ্যে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ ক্ষতি বাদ দিলে ব্যবহার  উপযোগী সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৩০ লাখ টন। কিন্তু  দেশে প্রতি বছর পেঁয়াজের চাহিদা ৩০ লাখ টন।সে হিসেবে  দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি থাকে ১৩.৭০  লাখ টনের মতো। পেঁয়াজের ঘাটতি দূর করতে মূলত: ভারত থেকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয় বাংলাদেশকে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে ১০ দশমিক ৯১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এছাড়া চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত ২ দশমিক ১৩ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। সবমিলিয়ে মোট পেঁয়াজের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ২৯ দশমিক ৩৪ লাখ টন।  এই হিসেবে গত বছর থেকে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ পেঁয়াজ দেশে আছে তা চাহিদার অনেক বেশি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে এত পেঁয়াজ গেলো কেথায় ? আর এভাবে লাগামহীন দাম বাড়ছে কেন?

দেশের প্রধান পা্ইকারী বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, রোজার ঈদের আগে তাদের মোকামে আমদানীকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ৩০-৩২ টাকায়। ঈদের পর আগস্টের শেষ দিকে একই পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৪৫ টাকা কেজি দরে।

গত মাসে প্রতিবেশী দেশ ভারত হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ নব্বই থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে থাকে। এরপর মিয়ানমার, তুরস্ক ও মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে সরকার।

সরকারীবভাবে বাজার মনিটরিং, মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে শাস্তি প্রদান এবং বিভাগীয় শহরে  টিসিবি’র ট্রাকে করে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রির ব্যবস্থা করে বাজার দর কেজিপ্রতি ৯০-৯৫ টাকায় আটকানো হলেও গত সপ্তাহের বৃষ্টি ও সরবরাহ সংকটের অজুহাতে তা আবার উর্দ্ধমূখী  হয়ে পড়েছে। ভারত থেকে আগের এলসি করা পেঁয়াজ আমদানী হলেও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন,  পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য এক শ্রেণির মুনাফালোভী ব্যবসায়ী দায়ী।

সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের ১০ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চারটি টিম প্রতিদিন ঢাকা শহরের বাজারগুলো মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে।

এ অবস্থায়  খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন সাধারন সম্পাদক সৈয়দ ছগির আহমেদ বলেছেন, দেশীয় নতুন পেঁয়াজ বাজারে না আসা পযন্ত দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। সূত্র- পার্সটুডে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.