Home অন্যান্য খবর ইশরাক হোসেনের উপর হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা এনডিপি চেয়ারম্যানের

ইশরাক হোসেনের উপর হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা এনডিপি চেয়ারম্যানের

0

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের প্রচারণায় আজ দুপুরে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: আবু তাহের।

আজ (২৬ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থী নির্বাচনের আগে মাঠ পর্যায়ে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে গণজোয়ার দেখে অবশ্যম্ভাবি পরাজয়েআঁচ করেই হামলা চালিয়ে ভোটারদের মাঝে ভীতি ছড়িয়ে ভোট চুরির ক্ষেত্র তৈরি করছে।

তিনি আরো বলেন, গত ২১ জানুয়ারী মঙ্গলবার ঢাকা উত্তরের ধানের শীষের প্রার্থী তাবিত আউয়ালের উপরও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একই কায়দায় গাবতলীতে হামলা চালিয়েছে। তারা ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার দেখে আতঙ্কিত হয়ে হামলা-মামলার পথে হাঁটতে শুরু করেছে। তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় এবং ভোট ডাকাতি ও ভোট চুরির পরিবেশ তৈরির জন্য জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে চায়। কারণ, তাদের যে কোন জনসমর্থন নেই এটা তারা স্পষ্ট দেখতে পারছে।

এনডিপি চেয়ারম্যান বলেন, প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে তারা নির্বাচনে নিরপেক্ষ আচরণ করবে এবং সকল প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। অথচ আমরা কার্যক্ষেত্রে তার উল্টাটাই দেখতে পাচ্ছি। ঢাকার দুই সিটিতে ধানের শীষের প্রার্থীর উপর হামলা হলো, কিন্তু পুলিশ প্রতিরোধমূলক বা হামলা পরবর্তী কোনরূপ আইনি পদক্ষেপ নিল না। এমনকি ঢাকা উত্তরের তাবিথ আউয়াল মামলা করতে গেলে থানায় মামলাও গ্রহণ করেনি। আমরা পুলিশের সরকারী দলের পক্ষে এমন নগ্ন পক্ষপাতমূলক আচরণের নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি। পুলিশ এখন দলীয় বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। অথচ পুলিশ শপথ নিয়েছিল, নিরপেক্ষভাবে সকল মানুষকে সমানভাবে আইনি সুরক্ষা দিবে।

তিনি বলেন, ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ব্যাপক জনপ্রিয় মেয়র ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ঢাকা দক্ষিণের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন মরহুম সাদেক হোসেন খোকার পুত্র। পিতা সাদেক হোসেন খোকার মতো ইশরাক হোসেনও ব্যাপক জনপ্রিয় ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে ইতিমধ্যেই তার প্রমাণ দিয়েছেন। তিনি নির্বাচনী প্রচারে যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানেই বাঁধভাঙ্গা গণজোয়ার নামছে তার পক্ষে। কিন্তু তাঁর মতো ব্যাপক জনপ্রিয় নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকেও যদি পুলিশ আইনি সুরক্ষা ও সহযোগিতা না দেয়, তবে দেশের ১৬ কোটি সাধারণ মানুষ যে কতটা ভয়াবহ নিরাপত্তাহীনতা ও আতংকের মধ্যে দিন গুজরান করছে, বুঝতে অসুবিধা হয় না। বর্তমান সরকার পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে জনগণের জন্য নয়, বরং নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত ও দীর্ঘায়িত করতেই ব্যবহার করছে। এই সরকার জনগণের সরকার নয়। তারা জনগণের সকল মৌলিক অধিকার হরণ করে জনগণকে জিম্মি করে রেখেছে।

এনডিপি চেয়ারম্যান ক্বারী আবু তাহের বলেন, পৃথিবীর কোন স্বৈরশাহী বা ফ্যাসিবাদি সরকার কখনোই চিরস্থায়ী হয়নি। সকল স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদির শেষ পরিণতি অত্যন্ত করুণ হয়েছে। সরকারের কর্তব্য, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের জন্য উত্তম কর্মপন্থা স্থির করা। আমরা জনগণের ভোটের ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করছি। আমরা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা ও আধিপত্যবাদ মুক্ত দেশ গড়ার জন্য আন্দোলন করছি। ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকারীদের বুঝা উচিত, হামলা-মামলা ও অধিকার হরণ করে জবরদখল বেশি দিন স্থায়ী রাখা যাবে না। অচিরেই সত্যের ও জনগণেরই বিজয় হবে, ইনশাআল্লাহ। – বিজ্ঞপ্তি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.