Home শীর্ষ সংবাদ টাকা আছে বলেই আমরা অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

টাকা আছে বলেই আমরা অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। -ফাইল ছবি।

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের ব্যাংকে টাকা নেই-একথা সত্য নয়। টাকা না থাকলে আমরা এতোগুলো উন্নয়ন কাজ কিভাবে করছি। আমাদের ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রিজার্ভ রয়েছে, যা দিয়ে আমাদের ৬ মাসের খাদ্য কেনা যাবে।

সংসদের রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা ও ৬ষ্ঠ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। গত ৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া অধিবেশনটি ২৮ কার্যদিবসে মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করছিলেন।

প্রধামন্ত্রী ৩০ মিনিটের বক্তব্যে সংসদে রাষ্ট্রপতির দেয়া ভাষণের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান। একইসাথে সরকারেরর উন্নয়ন কর্মকান্ডের সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান নিয়ে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের বিষয়টি আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

টাকার সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যেই আমাদের ১৮ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে। টাকা আছে বলেই আমরা অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এ প্রসঙ্গে তিনি ৬৮৫টি মাধ্যমি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এটি আজ কারো কাছে লুকায়িত নেই। এক সময় দেশ জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসের রাজস্ব ছিল। মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা ছিল না। আমরা অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলাম। এক দশকে আমরা বাংলাদেশর অবস্থার পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, কেউ আমাদের উন্নয়ন না দেখলে তা তাদের দেখার ভুল। গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত দেশের মানুষ অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল ভোগ করছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে মাঝে মধ্যে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। আমরা সেগুলো মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যেমন করোনা ভাইরাসের বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি যাতে চীনে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস বাংলাদেশে বিস্তার লাভ করতে না পারে। ডেঙ্গু নিয়ে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। মশার ব্যাপারে আমাদের নিজেদের সচেতন খাকতে হবে। নিজেদের বাড়িঘর আঙ্গিনা পরিস্কার রাখতে হবে যাতে মশা জম্মাতে না পারে। মশা যদি জম্মাতেই থাকে তাহলে তাতো মুখে ডুকবেই।

নারী ও শিশু নির্যাতনের ব্যাপারে তিনি বলেন, এদের বিরুদ্ধে জিলো টলারেন্স নীতিতে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি। এমন অপরাধের বিরোধী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রমজানে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে একটা খেলা শুরু হয়। এর কারণ মানুষ প্রয়োজেরন তুলনায় একসাথে বেশি কিনে থাকে। আমি বলব, আতংকিত না হয়ে রমজানে ব্যবহার্য জিনিস অনেকগুলো এক সাথে কিনবেন না।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে চীন থেকে বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে ওষুধের কাঁচামালসহ অন্যান্য কাঁচামাল আমদানির বিকল্প ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.