Home প্রবন্ধ-নিবন্ধ করোনার ভয়াবহতা ও আমাদের সতর্কতার লেভেল

করোনার ভয়াবহতা ও আমাদের সতর্কতার লেভেল

0

।। ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া ।।

আজকে বিশ্বের যে ক’টি দেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেশি, তারা প্রথমদিকে এই ভাইরাসকে পাত্তা দেয়নি। এখন তার ভয়াবহ খেসারত দিচ্ছে। বিশেষ করে ইতালি, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র, জামার্নী, ফ্রান্স সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম এসব দেশ। আজকে আক্রান্তের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম, মৃতে ইতালি প্রথম। এসব উন্নত দেশ আজ দিশেহারা।

আমরা কখনো গুরুত্ব দিচ্ছি, কখনো দিচ্ছি না। দিলেও পুরোপুরি দিচ্ছি না। হয়তো অপেক্ষা করছি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে কিনা দেখার জন্য। ভাবছি হয়তো এখানে ছড়িয়ে পড়বে না। দক্ষিণ এশিয়ায় পরিস্থিতির সেভাবে অবনতি না দেখে আমরা নিজেদের সেফ ভাবা শুরু করেছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে নতুন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কম দেখে মনে করছি আমরা খামোখা ভয় পাচ্ছি! ভাবছি, গরম বেড়ে গেছে বলে এ অঞ্চলে খুব একটা বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই।

আবার আমাদের মধ্যে এমন একটি অংশও আছেন যারা এই ভাইরাসকে আল্লাহর গযব বলছেন এবং বলছেন এই ভাইরাস সব দেশকে আক্রমণ করবে না। কিন্তু এসব চিন্তা-ভাবনা-বিশ্বাসের বৈজ্ঞানিক ও বাস্তব ভিত্তি কতটুকু? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিন্তু  এই অঞ্চলকেও সর্বোচ্চ ঝঁকিপূণ অঞ্চল হিসেবে সতর্ক করছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ সবদিক থেকে উন্নত রাষ্ট্রগুলো যারা নিজেদের প্রথমে এভাবে সেফ ভেবেছিল, তারা কী এখন সেফ? তারা যে চিকিৎসা সামগ্রীর জন্য অন্যের মুখাপেক্ষী হতে হবে- এটা কখনো ভেবেছিল?

চীনের উহানে যখন করোনা মারাত্মক রূপ নিলো, বাংলাদেশীদের যখন ফিরিয়ে এনে আশকোনা হজ ক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে (রোগে সংক্রমিত কিনা তা বোঝার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ রাখা) রাখলো, তখন কিন্তু তারা আপত্তি করেনি। স্বেচ্ছায় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সেখানে অবস্থান করেন। এর কারণ ছিল তারা যেখান থেকে ফিরেছিল সেখানকায় করোনার ভয়াবহতা তারা দেখে এসেছিল। কিন্তু গত ১৪ মার্চ ইতালি থেকে আসা কিছু প্রবাসীকে যখন সেই আশকোনায় নেয়া হলো, তারা সেখানে থাকতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিক্ষোভ করার পর আমাদের সরকারও কিন্তু তাদের কারো হাঁচি-কাশি-জ্বর আছে কিনা দেখে যার যার বাড়ীতে যাওয়ার অনুমিত দিয়ে দিলো। ততদিনে ইতালিসহ বিশ্ব পরিস্থিতি কিন্তু অনেক খারাপের দিকেই যাচ্ছিল।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জন করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়। সেই থেকেই কিন্তু বাংলাদেশে করোনা ছড়ানোর বিষয়টি পরিস্কার হয়। এরপর সরকার নড়েছড়ে বসে। কিন্তু সেই নড়াছড়া বা সতর্কতার মাত্রা কী যথেষ্ট ছিল? এরপর কিন্তু কিছু বিদেশ ফেরতকে গাজীপুরে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলো, লাখ লাখ লোককে হোম কোয়ারেন্টাইনের কথা বলে ছেড়ে দেয়া হলো।

সবমিলিয়ে দেখাগেলো লাখ লাখ বিদেশ ফেরত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন মাইকিং করে প্রশাসন দিয়ে, বাড়ী বাড়ী  খুঁজেও তাদের অনেককে পাওয়া যাচ্ছে না। আশংকার ব্যাপার হচ্ছে, বিদেশ ফেরতদের কাছ থেকেই বাংলাদেশে করোনা ছড়ানোর বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত। ভাইরাসটি এতোটাই ভয়াবহ যে, কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে এটি ছড়িয়ে পড়লে একজন থেকে  হাজার হাজার জনের মধ্যে এটি ছড়াতে পারে। সেটা অতিমাত্রায় আক্রান্ত দেশগুলের তথ্য থেকেও জানা যাচ্ছে।

দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলো, মৃত্যুর ডিজিটও চালু। সরকারি তথ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ৫। আক্রান্ত ৪৯ জন।  সরকারি ভাষ্যে সীমিত আকারে করোনা সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে, যে কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়লো সেগুলোতে কারা আক্রান্ত হচ্ছে তা তো বোঝার উপায়ও কম। আক্রান্তদের যেভাবে হেয় করা শুরু হয়েছে কেউ নিজ থেকে ধরা দেয়ার মতো মানসিক জোর পাবে না।  আবার যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে, তারা সেরে উঠবে। কিন্তু আক্রান্ত করে যাবে অন্যদের। এভাবে কিন্তু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে সময় লাগবে না।

কথা হচ্ছে, প্রথম দিকে আমি, আমরা কেউ সেভাবে সতর্ক ছিলাম না- এটা স্বীকার করতে হবে। কিন্তু ১৬ মার্চ মন্ত্রী সভার  বৈঠক  থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা আসলো এবং ২৩ মার্চ যখন ১০ দিনের সরকারি সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়া হলো তখন কিন্ত করোনার ভয়াবহতার বিষয়টি সবার কাছেই স্পষ্ট হয়। সরকারের সতর্কতার লেভেল যে শতভাগ, সেটা পরিস্কার হয়।  ২৪ মার্চ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রশাসনকে সহযোগিতার জন্য কাজ শুরু করেন। ২৬ মার্চ থেকে পুরোদমে ছুটি শুরু হয়।

করোনার বিস্তার ঠেকাতেই মুলত: সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সবাইকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে এই ছুটি দেয়া হয়। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? প্রথমে স্কুল ছুটি দেয়ার পর অনেকে স্বপরিবারে কক্সবাজার বেড়াতে চলে গেলেন। বাধ্য হয়ে  বিনোদন কেন্দ্রগুলো তাৎক্ষণিক বন্ধ করতে হলো। তারপর সরকারি ছুটি ঘোষণার পর ঈদের ছুটির চেয়ে দ্বিগুণ উৎসাহে গ্রামের বাড়ীতে যাওয়ার দৌড়। সরকার গণপরিবহণ বন্ধ করতে বাধ্য হলো। তারপরও যে যেভাবে পেরেছেন বাড়ী গিয়েছেন, এখনো যাচ্ছেন।

বাড়ী গিয়েছেন ভালো কথা। এবার অন্তত: ঘরে থাকুন। না সেটাও মানছেন না। গ্রামে গিয়ে দিব্বি ঘুরছেন। বাজারে  আড্ডা মারছেন, হাটহাজার করছেন আগের মতো। বলা হয়েছে  জরুরি প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করতে । কিন্তু সেটাও মানতে চাইছেন না। পাত্তা দিচ্ছে ন না।  আলেমদের সঙ্গে বসে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানালো মসজিদে মুসল্লী সীমিত করতে। অসুস্থাবস্থায় মসজিদে না যেতে। সেটাও খুব একটা মানছেন না। অনেকে ধর্মীয় আবেগ দেখিয়ে বলছেন, জীবন মৃত্যু আল্লাহর হাতে, ভাইরাসে মৃত্যু থাকলে হবে। অনেকে মাস্ক ব্যবহার না করেই মসজিদে যাচ্ছেন।

সৌদি আরব কিন্তু অনেক আগেই তার দেশের সকল মসজিদ এমনকি মসজিদুল হারাম এবং মসজিদে নববীও বন্ধ করে দিয়েছে। কাবা শরীফ তাওয়াফও বন্ধ রেখেছে। কুয়েত, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি মুসলিম দেশ মসজিদ বন্ধ রেখেছে। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফতোয়া দিয়ে মসজিদ বন্ধ রাখা যাবে মত দেয়া হয়েছে। আমাদের সরকার প্রথম দিকে না চাইলে এখন মসজিদ বন্ধ করতে চাইছেন। এজন্য ২৯ মার্চ আলেমদের নিয়ে আবার বসেছিলেন। কিন্তু আলেমরা সরকারের চিন্তার সাথে একমত পোষন করেননি। এটা সবার কাছে পরিস্কার  থাকা উচিত, ধর্ম বাস্তবতা বিবর্জিত কোন কিছু নয়। বিশ্বাসই ধর্মের মূল কথা হলেও ব্যবহারিক জীবনকেও  ধর্ম গুরুত্ব দেয়।

উটকে কিন্তু শক্ত রশি দিয়ে বেঁধে তারপর আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করতে বলা হয়েছে। রশি ছাড়া ছেড়ে দিয়ে তায়াক্কুল করতে বলা হয়নি। আপনি আগুন লাগলে আগুন ছড়িয়ে  পড়া বন্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে আগুন লাগা ঘরের কোনে বসে সেজদাবনত হয়ে আল্লাহর কাছে  প্রার্থনা করবেন না নিশ্চয়ই। আগে আগুন  নেভাবেন। ইব্রাহীম (আ.)কে আগুন থেকে রক্ষা করা, ইউনুন (আ.)কে মাছের পেটেও জীবিত রাখার মতো নবী রাসূলদের  অলৌকিক ঘটনাগুলো আল্লাহর কুদরতি ক্ষমতার কিছু নমুনা এবং আল্লাহর ওইসব বান্দাহদের আল্লাহর প্রতি নিখাদ বিশ্বাসের প্রতিফলনের নমুনা ছিল। এমন অলৌকিক  সাহায্যের ওপর ভিত্তি করে জীবন যাপনের কোন সমর্থন কুরআন হাদীস তথা ইসলামী শরীয়তে আছে বলে আমার জানা নেই।

দেশে এখন করোনা পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে এ টি সরকার ছাড়া সাধারণ  মানুষের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। সরকার  করোনার ভয়াবহতার ব্যাপারে এখন সতক। তবে সরকারের কিছু তৎপরতার কারণে মানুষের মধ্যে একদিকে যেমন ঢিলেভাব এসছে, তেমনি সন্দেহ সংশয়ও বাড়ছে। বিশেষকরে করোনা সনাক্তের জন্য কম সংখ্যায় পরীক্ষা, মৃতদের দাফনের ক্ষেত্রে অস্পষ্টতা ইত্যাদি মানুষের মনে সন্দেহ তৈরী করছে। একদিকে করোনা আক্রান্তের নতুন তথ্য নেই, অন্যদিকে মানুষ অন্যান্য মাধ্যমে বেশ কয়েকজনের মৃত্যের খবর জানতে যাদের লক্ষণ করোনা রোগীদের মতোই। কিন্তু মৃত্যর পর তাদের নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ না পাওয়ার কথা বলা হয়েছে কয়েকটির ক্ষেত্রে।

মানুষের মধ্যে সবার সচেতনার  লেভেল কিন্ত এক রকম নয়- সেটা আগের কথা থেকে পরিস্কার। আমাদের সচেতনার পারদ পারিপার্শ্বিকতাসহ নানা কারণে  মুহূর্তেই বদলে যায়। যেমন- গত দুই দিনে যখন করোনা আক্রান্তের নতুন কেস নেই, আজ সোমবার সকালে কিন্তু রাস্তাঘাটে গাড়ী ও  মানুষের চলাচল কিন্তু বেড়ে যাওয়ার খবর টেলিভিশনে সকালে দেখা গেলো।

সাধারণ খেটে খাওয়া, দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষদেরও গৃহে থাকার জন্য বলা হয়েছে- তাদের জন্য কোন ব্যবস্থা না করেই। আবার সরকার লকডাউন ঘোষণা দেয়নি, কিন্তু লকডাউনের মতোই সবাইকে ঘরে থাকতে বলছে এবং মানুষকে আইন শৃংখলা বাহিনী কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে পেটাচ্ছে। এগুলো নিয়ে নানা সমালোচনাও হচ্ছে। আমরা  মানুষকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বলছি, কিন্তু দেখা যাচ্ছে বাজারে স্বাস্থ্য সুরক্ষার আইটেমগুলো পযাপ্ত নয়। মানুষকে মাস্ক ব্যবহার করতে বলছি, কিন্তু ধুলোবালির জন্য সাধারণ যে মাস্কগুলো আমরা অন্যান্য সময় ব্যবহার করে আসছি সেগুলোতে এই ধরণের ভাইরাস  প্রতিরোধ করা যাবে কিনা সেটা পরিস্কার করছি না। পুলিশ মুখে  মাস্ক না থাকলেই পেটাচ্ছে।

আজকে সবাইকে ঘরে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া। এটি যথাযথ উদ্যোগ। সারাবিশ্ব  এখন লকডাউনে বলা চলে। অনেকে আমদের অনেক আগ থেকেই এই লকডাউনে। আমাদের সংক্রমণ ছড়ানোর  বড় দাগে তিনটি মাধ্যম এখনো খোলা রয়েছে। এক,  হাসপাতালে  চিকিৎসক যারা কাজ করছেন তাদের মাধ্যমে। দুই, জিনিসপত্র কেনার নামে যারা হাটে বাজারে ব্যাংকে অফিসে যাচ্ছেন তাদের মাধ্যমে এবং তিন, মসজিদ বা ধর্মীয় উপাসনালয়ে একত্রিত হবার মাধ্যমে।

আমি মনে করি,  করোনায় আর একজনও আক্রান্ত না হোক- এটা আমাদের সকলের কাম্য। কিন্তু করোনায় পুরো দেশ ইটালির চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে- এমন আশংকা আমাদের করতেই হবে। বিশ্ব থেকে করোনা মুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত। এটাই বাস্তবতা। সারাবিশ্ব যা করছে তা করতে আমাদের একটু পিছপা হওয়ার কোন সুযোগ নেই। যেহেতু পুরো বিশ্ব আবদ্ধ এবং বিশ্বের অংশ হিসেবে আমরারও আবদ্ধ থাকব। এতে কারো কোন আপসোস বা হীনমন্যতার কারণ থাকবে না। সাথে সাথে আশংকার জায়গা থেকে ফসকা গেরোগুলোকে কালক্ষেপণ না করে  টাইট করে আমাদের সতর্কার লেভেলকে যথাস্থানে উন্নীত করতে হবে।

এ জন্য প্রথমত: চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষার সরঞ্জামাদি পযাপ্ত  এবং ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত: ঘর বদ্ধ থাকার জন্য মানুষকে গৃহবন্দী রাখতে  ছুটির পরিবর্তে পরিভাষা পরিবর্তন করে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করতে হবে। প্রয়োজনে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত কারফিউ বলবৎ রাখা যেতে পারে। মসজিদে আযান ও জামাত হবে শুধু মসজিদে অবস্থানরত ইমাম-মুয়াজ্জিন ও মসজিদ সংলগ্ন ভবনগুলোর মুসল্লিদের অংশগ্রহণে। তারাও নির্ধারিত দুরত্ব বজায় রেখে নামাজের কাতারে দাঁড়াবেন। সরকার তার নাগরিকদের সুরক্ষা দেয়ার জন্যেই এই পদক্ষেপগুলো নিবেন। মানুষ সমগ্র মানবতার সুরক্ষার জন্য  নির্দেশনাবলী মানবে। সরকারকে কঠোর হতেই হবে।

সরকারকে করোনার বিষয়গুলোতে মানুষের মনে সন্দেহ জাগে-এমন জায়গাগুলো দ্রুত খোলাসা করতে হবে। এমন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিশ্বাসের জায়গায়, আন্তরিকতার জায়গায় কোন খাদ রাখা যাবে না।

লেখক: সাংবাদিক। ইমেইল- [email protected]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.