Home শীর্ষ সংবাদ করোনাভাইরাস: দেশে আরও ৫ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন

করোনাভাইরাস: দেশে আরও ৫ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন

-প্রতীকি।

বিবিসি: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, তবে কারো মৃত্যু হয়নি। এনিয়ে বাংলাদেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬১ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক শুক্রবার এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিং-এ এই তথ্য জানিয়েছেন।

এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে ছয়জন মারা গেছেন এবং ২৬ জন সুস্থ হয়েছেন। অর্থাৎ এ মুহুর্তে চিকিৎসাধীন আছেন ২৯ জন। চিকিৎসাধীনদের মধ্যে ২২ জন রয়েছেন হাসপাতালে ও ৭ জন নিজেদের বাসায়।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট ৫১৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৫ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে এবং ৫৪৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। ১৪ জনকে পাশাপাশি ১৪ জনকে আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে এবং ১০ জনকে আইসোলেশন থেকে ছাড়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আইসোলেশনে রয়েছেন মোট ৮২ জন।

এপ্রিল মাস শেষ হওয়ার আগেই সারাদেশের মোট ২৮টি কেন্দ্রে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করা সম্ভব হবে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচারক।

আবুল কালাম আজাদ বলেন করোনাভাইরাস ছড়ানো নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে ব্যক্তি পর্যায়ের সতর্কতা।

“একজন ব্যক্তি এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে পারেন। আমরা যদি বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরি, বিদেশ থেকে আসা বা ভাইরাস আক্রান্ত হলে যদি সাবধানতা অবলম্বন করি, বারবার হাত ধুই, হ্যান্ডশেক না করি – তাহলে সবচেয়ে সহজে এই ভাইরাস ছড়ানো রোধ করা সম্ভব।”

৮ই মার্চ বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার কথা জানায়। এরপর ১৮ই মার্চ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে প্রথম ব্যক্তির মৃত্যুর কথা জানায় বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ।

২৫শে মার্চ প্রথমবারের মত সংস্থাটি জানায় যে বাংলাদেশে সীমিত আকারে কম্যুনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

২রা এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায় আজ (৩রা এপ্রিল) থেকে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনাভাইরাস পরীক্ষার আওতা বাড়ানো হবে।