Home শীর্ষ সংবাদ বিদেশ থেকে শ্রমিক যেন ফেরত না আসে

বিদেশ থেকে শ্রমিক যেন ফেরত না আসে

-ফাইল ছবি।

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনা মহামারিকালে বিদেশ থেকে শ্রমিকরা যেন দেশে ফেরত না আসে সে বিষয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে তিন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সমন্বিতভাবে কাজ করে কীভাবে আরও বৈদেশিক আয় বাড়ানো যায়, বিদেশ থেকে আমাদের শ্রমিকরা যেন ফেরত না আসে সে বিষয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকতে হবে। পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন তার পরিপ্রেক্ষিতে সুইডেন রিভাইস করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে বাতিল ক্রয়াদেশ অধিকাংশই ফেরত আসে। বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য একটা বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। কোভিড-১৯ মহামারিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়তে পারেন-

মন্ত্রিপরিষদ নির্দেশনা দিয়েছে যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কীভাবে আরো বৈদেশিক আয় বাড়ানো যায়, বিদেশ থেকে আমাদের শ্রমিকরা যেন ফেরত না আসে সে বিষয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ ও সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কার্যক্রম যেমন- বাংলাদেশ থেকে ৬৫ লাখ পিপিই যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা হয়েছে, কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন রকমের ওষুধের উপকরণ আমদানি ও বিদেশি রপ্তানি, বৈধ ও অবৈধ বাংলাদেশি প্রবাসীদের খাদ্য ও সেবা নিশ্চিতকরণ, চাকরি থেকে বরখাস্তদের দেনা-পাওনা এবং সম্ভব হলে ছয় মাসের বেতন-ভাতা দিয়ে দেশে পাঠানোর প্রচেষ্টা, প্রবাসী শ্রমিকদের বিদেশে কর্মসংস্থান ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য ওইসব দেশের ফান্ড গঠনের জন্য যোগাযোগে সাড়া পাওয়া গেছে। এতে আমাদের যারা বিদেশে কর্মহীন হয়ে পড়ে তারা আবার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কাজে ফিরতে পেরেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যাতে তারা কোভিড আক্রান্ত হলে প্রোপার ট্রিটমেন্ট দেওয়া যায়। করোনা ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্ভাব্য টিকা আবিষ্কারকদের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রথম থেকেই যোগাযোগ রাখছে। ফলে ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে যে সম্ভাবনা আসছে তার পেছনে তাদের এ প্রচেষ্টা বড় ভূমিকা রেখেছে। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ফোরামের তৎপরতা নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ সার্ক সামিটে অংশ নিয়েছেন এবং বাংলাদেশ থেকে টাকা-পয়সাও সার্কের তহবিলে দেওয়া হয়েছে।

উম্মাহ২৪ডটকম: এসএএ

উম্মাহ পড়তে ক্লিক করুন-
https://www.ummah24.com

দেশি-বিদেশি খবরসহ ইসলামী ভাবধারার গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে ‘উম্মাহ’র ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।