Home অপরাধ ও আইন-আদালত ছেলের মুক্তির ৩ দিন পর বাবা কারাগারে

ছেলের মুক্তির ৩ দিন পর বাবা কারাগারে

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল। এবার একই মামলায় কারাগারে গেলেন তাঁর বাবা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র মীর নাছির আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ-২-এর বিচারক রুহুল ইমরানের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে মীর নাছিরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জরুরি অবস্থার সময় অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মীর নাছির ও তাঁর ছেলে ব্যারিস্টার মীর হেলালের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৬ মার্চ গুলশান থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় বিশেষ জজ আদালত একই বছরের ৪ জুলাই রায়ে মীর নাছিরকে ১৩ বছর ও মীর হেলালকে তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা হাইকোর্টে আপিল করেন। হাইকোর্ট ২০১০ সালের ২ আগস্ট মীর হেলালের ও ১০ আগস্ট মীর নাছিরের সাজা বাতিল করে রায় দেন। হাইকোর্টের এ রায় বাতিল চেয়ে দুদক সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল আবেদন করে।

আরও পড়তে পারেন-

আপিল বিভাগ ২০১৪ সালের ৩ জুলাই এক রায়ে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টেই বিচার করার নির্দেশ দেন। এ নির্দেশে পুনরায় শুনানি শেষে গত বছরের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে বাবা-ছেলেকে নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রাখা হয়। একই সঙ্গে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে তাঁদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেন আদালত। এ বছরের ৬ জানুয়ারি হাইকোর্টের ওই রায় প্রকাশ পায়। সে আদেশের পরে মীর হেলাল গত ২৭ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ-২-এর বিচারক রুহুল ইমরানের আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। জামিন পাওয়ার পর ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান মীর হেলাল।

উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ

উম্মাহ পড়তে ক্লিক করুন-
https://www.ummah24.com

দেশি-বিদেশি খবরসহ ইসলামী ভাবধারার গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে ‘উম্মাহ’র ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।