Home অন্যান্য খবর ‘সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার মমতার চেয়েও উম্মতের প্রতি রাসূল (সা.)এর মমত্ববোধ অনেক বেশি...

‘সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার মমতার চেয়েও উম্মতের প্রতি রাসূল (সা.)এর মমত্ববোধ অনেক বেশি ছিল’

রাজধানী ঢাকার ইসলামবাগ বড় মসজিদের খতীব শাইখুল হাদীস মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী গতকাল (২০ নভেম্বর) জুমার খুৎবাপূর্ব বক্তব্যে বলেছেন, সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার মমত্ববোধ যে পরিমাণ থাকে, উম্মতের প্রতি হযরত রাসূলে আকরাম (সা.)এর মমত্ববোধ তার চেয়েও বেশী ছিল।

তিনি বলেন, মক্কার কাফিরদের যারা রাসূল (সা.)এর চলাচলের পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখতো তাঁকে কষ্ট দেওয়ার জন্য, যারা তাঁকে গালি দিত এবং পাথর মেরে আহত করতো, তিনি তাদের প্রতি পরম মমতা ও মহানুভবতা প্রদর্শন করতেন। কখনোবা তাদের রোগাক্রান্ত হওয়ার সংবাদ শুনে খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য ছুটে যেতেন তাদের বাড়ীতে। আবার কখনো বদ দোয়ার পরিবর্তে হেদায়েতের দোয়া করতেন তাদের জন্য।

আরও পড়তে পারেন-

মাওলানা আফেন্দী বলেন, মহান আল্লাহর কতই না বড় অনূগ্রহ আমাদের উপর যে, তািনি আমাদেরকে এমন এক মহামানবের উম্মত বানিয়েছেন যিনি উম্মতের সদা কল্যাণকামী ছিলেন। শুধু তায়েফের ঘটনাই যথেষ্ট নবীয়ে রহমত(সা.)কে চেনার জন্য। নিষ্ঠুর তায়েফবাসী বখাটে ছেলেদের লেলিয়ে দিয়েছিল তাঁর পেছনে। তাদের প্রস্তরাঘাতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় বেহুঁশ হয়ে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন মাটিতে। শরীর মোবারক থেকে নির্গত রক্ত পাদুকাদ্বয়ে গিয়ে জমাট বেঁধেছিল।

মাওলানা আফেন্দী বলেন, চেতনা ফিরে পাওয়ার পর ফেরেশতা এসে আরজ করলেন ইয়া রাসূলাল্লাহ! দ্বীনের দাওয়াত দিতে এসে এমন নিষ্ঠুর আচরণ আপনার সাথে! হুকুম দিন পাহাড় উপরে তুলে তাদের মাথার উপর ফেলে দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেই। নবীয়ে রহমত (সাঃ)এর মমত্ববোধ ও মহানুভবতা যেন তখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আযাবের হুকুম না দিয়ে উল্টো তিনি হেদায়েতের দোয়া করলেন তাদের জন্য। বললেন- “হে আল্লাহ! তুমি আমার সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করো। তারা আমাকে না বুঝার কারণে কষ্ট দিচ্ছে”।

উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ

উম্মাহ পড়তে ক্লিক করুন-
https://www.ummah24.com

দেশি-বিদেশি খবরসহ ইসলামী ভাবধারার গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে ‘উম্মাহ’র ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।