Home ওপেনিয়ন হেফাজতে ইসলামের প্রতিনিধি সম্মেলন: কিছু স্মৃতি কিছু কথা

হেফাজতে ইসলামের প্রতিনিধি সম্মেলন: কিছু স্মৃতি কিছু কথা

।। মাওলানা সানাউল্লাহ মাহমূদী ।।

সারারাত নির্ঘুমই কাটল। খুব তাড়াতাড়ি বিছানায় শুয়েছিলাম। কারণ, ভোর রাত চারটায় রওয়ানা হতে হবে। মূফতী হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী, জামেয়া সোবহানিয়ার মূফতী মহিউদ্দীন সাহেব; এই দুই হযরতদ্বয়ের সাথী হয়ে সফর করব। কিছুক্ষণ ঘুমাতে পারলে ভাল হত।

চোখের পাতা মিলিয়ে আসতেই স্বপ্নিল এক রূপালি জগতে ফিরে গেলাম। স্মৃতির সব আয়নাগুলো একে একে পরিচ্ছন্ন হতে লাগল। সেখানে ভেসে উঠলো ফেলে আসা দিনগুলোর অমর স্মৃতিগুলো। সেই চুরাশি/পঁচাশি সালে দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার বারান্দায় দীর্ঘ তিন বছর হাঁটাহাটি করে বিদায় নিয়ে এসেছিলাম। এরপর বহুবার যাওয়া হয়েছে। তবে আজকের ভোর রাতের সফর একটু ব্যতিক্রমই বটে।

বলেছিলাম হাটহাজারীতে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের কথা। আমি খুবই অপরিচিত এবং অযোগ্য নিভৃতচারি এক মানুষ। সাধ্যমত দ্বীনের খেদমাতের রাস্তায় চলার চেষ্টা করি। ময়দানে, সংগ্রামে রাজপথে শরীক হই। এই অযোগ্য ব্যক্তিকেও দাওয়াত দেয়া হয়েছে এই মহতি সম্মেলনে। আজ ১৫ নভেম্বর রবিবার ২০২০ খ্রীস্টাব্দ; বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নব ইতিহাস রচিত হবে, নব জাগরণ হবে। আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভরপুর ঈমানী চেতনায় উদ্বুদ্ধ মানুষগুলো হাটহাজারীর দিকে তাকিয়ে আছে। সুদীর্ঘ প্রায় এক যূগ পর বহুল আলোচিত কোটি প্রাণের ভালবাসার সংগঠন হেফাজতে ইসলামের প্রতিনিধি সম্মেলনের দিকে। ভোর রাত চারটায় যথারীতি রওয়ানা হলাম। মুফতী হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী নতুন প্রজন্মের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। মাদানী নেসবাতের এবং আকাবিরে দেওবন্দের এক ঝলক। আগামী দিনের জাতির রাহবারের ভূমিকায় যখন তিনি রাজপথের সিপাহসালার হবেন, সেদিন হয়তো আমার কথাগুলো মানুষ স্মরণ করবে। মুফতি মহিউদ্দীন সাথে আছেন, অমায়িক মানুষ আহলুল ইলম, আল্লাহ ওয়ালা বুযুর্গ ।

দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষা ভবনের তৃতীয় তলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি- উম্মাহ।

[ দুই ]

মূফতী হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী সাহেবের ফুফাতো ভাই (একজন বড় ব্যবসায়ী) হাটহাজারী পরিদর্শনে যাবেন এবং তিনিই ব্যক্তিগত গাড়ি ড্রাইভ করছেন। পথে ফজর নামাজ। সুবহে সাদিকের আধ্যাত্মিক পরিবেশ, পূর্ব দিগন্তে সূর্যের আলোর বিচ্ছুরণ। ধীরে ধীরে ভোরের আলো এক নতুন দিনের সকাল উদ্ভাসিত হল। أصبحنا وأصبح الملك لله والحمد لله। মিয়ামী হোটেল মূফতী হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী সাহেবের পরিচিত এবং পছন্দনীয়। বিভিন্ন মাহফিলের প্রোগ্রামে যাতায়াতের কারণে পথের বিষয় তিনি অভিজ্ঞ, তা বুঝা গেল মিয়ামী হোটেলের সকালের নাস্তায়। কুমিল্লায় মিয়ামী হোটেলের রুচিসম্মত নাস্তার পর হাটহাজারীর উদ্দেশ্য ছুটছে গাড়ি দ্রুত বেগে। ভাটিয়ারী হয়ে সকাল ন’টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে যখন হাটহাজারী মাদ্রাসার শাহী গেট থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের কড়া স্কট আমাদেরকে মাঠে প্রবেশ করালো। হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমী একটু বিজিত চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, কি হযরত! এর রহস্যটা হল আমাদের রওয়ানা দিতে একটু দেরি হওয়াতে আমি বলেছিলাম, আমরা আশঙ্কা করে বলেছিলাম, সময় মত পৌঁছতে পারব না। যথাসময়ে পৌঁছে যাওয়ায় তিনি বিজয়ের হাসি হাসতেই পারেন অতঃপর; আলহামদুলিল্লাহ।

আনন্দ বেদনার এক নিরুত্তাপ পরিবেশ আজকের হাটহাজারী। যেই জমিনে এখন জান্নাতের ফুল বিছানায় শুয়ে আছেন খলিফায়ে মাদানী, মুজাহিদে জমান, শাইখুল হাদীস শাহ আহমাদ শফী الله ينور قبره। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের ঘুমন্ত আলেম ওলামা ও তাওহিদী জনতাকে গর্জে ওঠার ডাক দিয়েছিলেন ঈমানদ্বীপ্ত সেই ইলহামী ডাকে কেপেঁ উঠেছিল শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীর নাস্তিক মুরতাদ এবং ইসলামবিদ্বেষী চক্র চির দুশমনেরা। অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে এক বিপ্লব ঘটে গেল বাংলাদেশে, শিরদার উচুঁ করে দুশমনদের রক্ত চক্ষুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আবার তেজোদ্বীপ্ত ঈমানী শক্তিতে আবার পথ চলা শুরু করল এদেশের আলেম ওলামা এবং তৌহিদী জনতা।

আতংকে গর্তে লুকালো রাজপথে আস্ফালনকারি নাস্তিক মুরতাদেরা। বদর প্রান্তর থেকে ওহূদ, বিজয় থেকে সাময়িক বিপর্যয়, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সেই বিজয় আর সাময়িক বিপর্যয় শাইখুল ইসলাম আহমাদ শফী (রাহ.)এর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের বিপ্লবী আবেদন এদেশের তৌহিদী জনতার কাছে অগ্নি স্ফূলিঙ্গের মত ছাই চাপা ছিল। মহানবী (সা.)এর অবমাননার প্রতিবাদে নভেম্বরের দুই তারিখ বঙ্গোপসাগরের উত্তাল তরঙ্গের মত ঢাকার রাজপথ প্রকম্পিত করে বিশ্ববাসীকে জানান দিয়েছিলেন। শাইখুল ইসলাম আহমাদ শফী লোকান্তরে, লক্ষ শাগরেদ ঘরে ঘরে। হেফাজত মরে নাই, হেফাজত বেঁচে আছে সেই বিপ্লবী চেতনা নিয়ে, ঈমান দ্বীপ্ত শক্তি নিয়ে, নাস্তিক মুরতাদদের আতংক হয়ে। সেই হেফাজতে ইসলামের আজকে প্রতিনিধি সম্মেলন।

দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত শীর্ষ উলামায়ে কেরামের একাংশ।

[ তিন ]

সকাল ১০টা, একে একে সবাই সম্মেলন হলে প্রবেশ করছেন। সবার গলায় ঝুলানো প্রতিনিধি কার্ড। তিন স্তরের নিরাপত্তা ভেদ করে তবেই সম্মেলন হলে যেতে হবে। আমি মুফতী মনির হোসাইন কাসেমী পাশাপাশি ছিলাম। হঠাৎ বিপত্তি ঘটল মনির হোসাইন কাসেমীকে নিয়ে। তাকে আটকে দেওয়া হল। কারণ, তার প্রতিনিধি কার্ড ঝুলানো নেই..। না! পকেটেও নেই। দাঁড়িয়ে গেলাম ততক্ষণাৎ। নির্ধারিত স্থানে গিয়ে কার্ড সংগ্রহ করা হল। অতঃপর প্রবেশ। ধন্যবাদ হাটহাজারীর স্বেচ্ছাসেবী ছাত্রভাইদের, ধন্যবাদ সিকিউরিটিতে নিয়োজিত ছাত্রদের।

যথারীতি কাউন্সিল সম্মেলন শুরু হল। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক সাহেবদ্বয়ের প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও পরিচালনায় সম্মেলনের পরিবেশে বেশ ভাবগম্ভীর্যতা বিরাজ করছিল। আমি নগন্য একজন সদস্য চুপচাপ বসে আছি, আর শুধু সম্মেলন মঞ্চের নূরানী মুখগুলো দেখছিলাম এরাই জমানার নানুতবী, এরাই যুগের শাইখুল হিন্দ, এরাই যুগের গাংগুহী, এরাই যুগের থানভী, এরাই সব সমকালীন শাইখুল ইসলাম মাদানী এবং এরা সবাই এখন শাহ আহমাদ শফী (রাহ.)এর উত্তরসূরী। তার গঠিত চট্টগ্রামকেন্দ্রিক একটি সংগঠন যুগের পরিক্রমার বৈপ্লবিক ধারায় উপমহাদেশের বৃহত্তম অরাজনৈতিক সংগঠনের মহীরুহ রূপ ধারণ করেছে। সারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার প্রতিনিধি এখানে উপস্থিত, যারা স্ব স্ব অবস্থানে যোগ্যতার আসনে দ্বীনের খেদমত করে যাচ্ছেন।

গত ১৫ নভেম্বর হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে নবনির্বাচিত আমীর আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী (বামে)। – ফাইল ছবি।

গতানুগতিক প্রতিনিধি সম্মেলনের মত এখানেও কিছু আলোচনা বক্তব্য ধারাবাহিকভাবে হল। হেফাজত ইসলামের ইতিহাস এবং ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ে দিক-নির্দেশনা মূলক বক্তব্য। শীর্ষ স্থানীয় আলেমদের ১২ সদস্য বিশিষ্ট প্যানেল হল। তারা প্রাথমিক মনোনয়ন করে উপস্থিত কাউন্সিলরদের মৌখিক সম্মতি নিয়ে কমিটি চূড়ান্ত করবেন। দুপুর বারোটায় এজন্য আধাঘন্টার বিরতি। আমার জন্য এই বিরতিটুকু ছিল বড়ই আনন্দের। আমার উস্তাদ হযরত শায়েখ আহমদ সাহেবের সাথে মোলাকাত হল। হযরত বুকে ঝড়িয়ে ধরলেন। দোয়া চাইলাম। অল্প সময়, কিন্তু কথা হল অনেক। মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরীর সাথে অনেক কথা হল। হাটহাজারী মাদ্রাসার নতুন প্রজন্মের একজন বিচক্ষণ এবং সুচিন্তক হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা তার রয়েছে বলেই মনে হল। আজকের এই মহতি মজলিসে আমার জন্য একটি আনন্দঘন মুহূর্ত, যা আমাকে ভীষণ আবেগে আপ্লুত করেছে। সুদীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর পর আমার এক অতি আপন মানুষের সাথে সাক্ষাৎ হবে।

[ চার ]

আমার জীবনের কিছু মূল্যবান সময়ের মধ্যে গন্য করি তার সাথে থাকা কয়েকটি মাস। ছাত্র রাজনীতি বা ইসলামী রাজনীতির সাংগঠনিক প্রশিক্ষণটা তার কাছেই পেয়েছিলাম। সদা হাস্যোজ্জ্বল প্রাণখোলা এক সফল মানুষ। আমি যখন প্রবাসে যাই, তার কাছ থেকেই বিদায় নিয়েছিলাম। সেই যে পঁচাশি সালের আগষ্ট মাসে বিদায় নিলাম পঁয়ত্রিশটি বছর পার হল, আর দেখা হল না। আজকে যখন তাকে মঞ্চে বক্তব্য দিতে দেখলাম, অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম। সেই যে প্রশিক্ষণ দিতেন কর্মীদের, আজও সেই বাচন ভঙ্গিতে কাউন্সিলরদের সামনে গঠনমূলক কয়েকটি পয়েন্ট উল্লেখ করলেন।

হেফাজতের সংবিধান প্রিন্ট করে সকলকে দেয়ার ব্যবস্থা করা, হেফাজতে ইসলামকে আঞ্চলিক ভাবে না রাখা, যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করে পদ পদবী নির্ধারণ করা। হ্যাঁ পাঠক, আমি ড. আ ফ ম খালেদ হোসাইন ভাইয়ের কথাই বলছিলাম। দেখলাম মঞ্চের এক পাশে চেয়ারে বসা। আস্তে আস্তে সামনে গিয়ে সালাম করলাম। আমার অবয়ব তার মনে পড়তে দেরী হবে, তা বলাই বাহুল্য। সূদীর্ঘ পঁয়ত্রিশটি বছরের ব্যবধানে যৌবন থেকে পৌঢ়ত্বে পৌঁছে গেছি। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে তেমন কিছুই প্রতিক্রিয়া হল না তাঁর। একটু অপেক্ষা করে আমার গলায় ঝুলানো প্রতিনিধি কার্ড তার সামনে তুলে ধরলাম, যেখানে লেখা আছে সানাউল্লাহ মাহমূদী। মুহূর্তের মধ্যে এক আবেগঘন অবস্থার সৃষ্টি হল। একে অপরের বুকে জড়িয়ে আনন্দাশ্রুতে কয়েক মুহূর্ত কেটে যাওয়ার পর গল্প হল, স্মৃতি রোমন্থন হল, অনেক কথা হল ,আবার কথা হবে, দেখা হবে।

হেফাজতের প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য দিচ্ছেন নবনির্বাচিত প্রধান উপেষ্টা আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

প্রতিনিধি সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন প্রথম অধিবেশনের মত সুশৃঙ্খল হয়নি, এটা দু:খজনক। আমীর, মহাসচিব’সহ একশত বিশজন কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদ পদবীর মনোনীত নামের তালিকা ঘোষণা করা হল। কিছু সদস্য ও পদ পদবীদের পরে জানানো হবে বলা হল।

উপসংহারে বলা যায়, প্রতিনিধি সম্মেলনে স্ব-শরীরে উপস্থিতি ব্যতীত কাউন্সিলরদের কোন ভূমিকা ছিল না, কখনো থাকেও না। রাজনৈতিক অরাজনৈতিক যে কোনো দলেই প্রতিনিধি সম্মেলন মানে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের এক মিলন মেলা। হাটহাজারীতে হেফাজতের প্রতিনিধি সম্মেলনও এর ব্যতিক্রম ছিল না। তবে ওলামা মাশায়েখদের মিলন মেলায় উপস্থিত হওয়ার সৌভাগ্য আমার মত নগন্য মানুষের নসীব হয়েছে, এ জন্য রাব্বুল আলামিনের শাহী দরবারে শোকর আদায় করছি, আলহামদুলিল্লাহ।

দুপুর আড়াইটায় আমরা ঢাকার উদ্দেশ্যে হাটহাজারী ত্যাগ করলাম। রাত আটটায় ঢাকায় পৌঁছলাম। আল্লাহ আমাদের ছহী সালামাতে পৌঁছয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

পরিশিষ্ট, হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমাকে ফোন করে জানালেন আমাকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (বৃহত্তর বরিশাল বিভাগীয়) হিসেবে মনোনয়ন করা হয়েছে; আপনি কি কবুল করলেন? আমি আমার অযোগ্যতা প্রকাশ করলাম। তিনি বললেন, আপনি আমীন বলুন। আমি আমীন বললাম।

সকলের কাছে দোয়া চাই, এই গুরু দায়িত্ব যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারি। আল্লাহ তাআলা যেন সেই তাওফীক দান করেন। আমীন।

– মাওলানা সানাউল্লাহ মাহমূদী, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, সিনিয়র সহসভাপতি- বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।

উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ

উম্মাহ পড়তে ক্লিক করুন-
https://www.ummah24.com

দেশি-বিদেশি খবরসহ ইসলামী ভাবধারার গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে ‘উম্মাহ’র ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।