বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও অপহরণের সাথে জড়িত সন্দেহে নয়জনকে অস্ত্রসহ আটক করেছে সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে জেলার লামা উপজেলার টঙ্কাবতী পূর্ণবাসন পাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে টঙ্কাবতী সরই সুয়ালকসহ বিভিন্ন এলাকায় অপহরণ চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়ে গেছে। স্থানীয় একটি চক্র এসব ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে। এদিকে এই অভিযানে এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল অভিযানে প্রথম পর্যায়ে ১৫ জনকে আটক করে। পরে চাঁদাবাজি ও অপহরণ ঘটানোর সাথে অভিযুক্ত নয়জনকে রেখে বাকিদের ছেড়ে দেয়া হয়। এদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- টঙ্কাবতী পূর্ণবাসন কারবারি পাড়ার আনন্দমোহন চাকমা ও প্রেম রঞ্জন চাকমা।
আরও পড়তে পারেন-
- আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামের ভূমিকা
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন হুমকির মুখে না পড়ে
- সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণে দরকার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ও আলেমদের এগিয়ে আসা
- সালাম-কালামের আদব-কায়দা
- বিবি খাদিজা (রাযি.): ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নারী
সংশ্লিষ্টরা আরো জানিয়েছেন, এদের মধ্যে প্রেমরঞ্জন চাকমা জ্বলন্ত চাকমা হত্যা মামলার আসামি। তারা আঞ্চলিক একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় আরো সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ থাকতে পারে এ খবরে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কঙ্কাবতী ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মানইয়ং ম্রো জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ইউনিয়নের পূর্ণবাসন চাকমা পাড়ায় সেনাবাহিনী অভিযান চালায় এবং সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








