ইসরায়েল ও লেবাননের নেতারা আজ বৃহস্পতিবার সরাসরি একে অপরের সঙ্গে কথা বলবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার রাতে এ কথা বলেছেন।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির অবকাশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে অনেক দিন, প্রায় ৩৪ বছর কথা হয়নি।
এটি আগামীকাল হবে।’
এই ঘোষণাটি এসেছে মঙ্গলবার স্টেট ডিপার্টমেন্টে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটারের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের পর।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
এই বৈঠকটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা, স্টেট ডিপার্টমেন্টের উপদেষ্টা মাইকেল নিডহ্যাম এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।
ট্রাম্প গত সপ্তাহে বলেছিলেন, তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে লেবাননে হামলা কমাতে অনুরোধ করেছিলেন এবং জানানো হয়েছিল, ইসরায়েল তার অভিযান কমিয়ে আনবে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও, ২ মার্চ হিজবুল্লাহর সীমান্ত অতিক্রম করে চালানো হামলার পর ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মার্চ মাস থেকে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ
উম্মাহ পড়তে ক্লিক করুন-
https://www.ummah24.com
দেশি-বিদেশি খবরসহ ইসলামী ভাবধারার গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে ‘উম্মাহ’র ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।








