কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ জানিয়েছেন, তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ যদি আবার আগের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে ইজতেমা ও দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাহলে তিনি অত্যন্ত খুশি হবেন। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাবলিগের সংশ্লিষ্ট দুই পক্ষকেই।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
ধর্মমন্ত্রী বলেন, তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ বর্তমানে আলাদাভাবে ইজতেমা করছে। তারা যদি আবার একসঙ্গে চলতে পারে, আগের অবস্থানে ফিরে আসে, তাহলে আমি খুবই খুশি হবো। তবে এটা সম্পূর্ণ তাদের নিজেদের সিদ্ধান্তের বিষয়।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ইতোমধ্যে নানা ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু অনেকেই তা সহ্য করতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আপনাদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। যারা গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করতে চায়, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ তুলে ধরে কায়কোবাদ বলেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, দরিদ্র নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং সুদসহ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্বাধীনতার পর কোনো সরকার দায়িত্ব নেওয়ার এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বেশি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে পারেনি।
সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের কাজ হলো সরকারের ভুলত্রুটি গঠনমূলকভাবে তুলে ধরা। কিন্তু বর্তমানে বিরোধী দল কীভাবে সরকারকে বিব্রত করা যায়, সে দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।
উম্মাহ২৪ডটকম:আইএএ







