শুক্রবার (১২ জুন) সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ।
এবারের বাজেটকে প্রতারণামূলক দাবি করে তিনি বলেন, বাজেটে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি বরং আমরা চরমভাবে হতাশ। তাই আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি। আমরা মনে করি এই বাজেটে যদিও কিছু ভালো দিক আছে, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তায় কিছু বিষয় মনে হলেও প্রকৃতার্থে কেউ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি একটি প্রতারণার বাজেট হয়েছে।
ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, বাজেটের আকার কাল্পনিক ও ইউটোপিয়ান হয়েছে। এটি ইশতেহারভিত্তিক বাজেট হয়েছে। একটা কথা আছে, যত বড় বাজেট, তত বড় নেতাকর্মীদের পকেট ভারী। এটি করা হয়েছে কী না, সেটিও এখন একটি প্রশ্ন।
এনসিপির এ নেতা বলেন, এত বড় বাজেটের টাকা কোথা থেকে আয় করবেন, তা তো পরিষ্কারভাবে বলতে হবে। আপনি হয়ত এনবিআরকে একটি লক্ষ্যমাত্রা দিলেন যে, আমাদের এত টাকা দেবেন। কিন্তু এনবিআরকে যে সংস্কার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, সেটিতে বড় বাধা দেয়া হয়েছে এবং আপনারা বড় দল হিসেবে কোনো কথা বলেননি। ফলে এখনকার যে লক্ষ্যমাত্রা, এটি কোনোভাবেই আদায় করা সম্ভব নয়।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
‘শেষ বাজেটে ৩ লক্ষ্য ৩০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ হয়েছে। ফলে এখনো অর্ধেক বাজেট মিসিং রয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা আহরণে যে সিস্টেমের কথা বলা হয়েছে, এতে আমাদের হিসেবে সর্বোচ্চ চার লাখ কোটি টাকা আয় করা যাবে। এর মানে এখানে আড়াই লক্ষ্য কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে। এর ফলে কয়েকদিন পর সরকার টাকা না থাকায় বাজেট কাটছাঁট করবে’, দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, জয়নাল আবেদীন শিশিরসহ একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন।
উম্মাহ২৪ডটকম:আইএএ








