ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
আজ শনিবার দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর তার একটি বক্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তিনি “ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া” বলতে কী বুঝিয়েছেন, আমাদের সরকারের উচিত হবে তার কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন দেশ। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে অবশ্যই বিভ্রান্তি তৈরি হবে।’
সরকারের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আমাদের সরকারের কাছে এ বিষয়টির সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।’
গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় বেনাপোল নো-ম্যানস ল্যান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় হাইকমিশন ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী মৃণাল ত্রিবেদী। পরে সড়কপথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের সাবেক বিধায়ক (এমএলএ) ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত অভিজ্ঞ ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের (আইএফএস) কর্মকর্তাদের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগের ক্ষেত্রে সেই প্রথার ব্যতিক্রম হয়েছে। দুই দেশের ৫৫ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
আজ শনিবার দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর তার একটি বক্তব্য তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তিনি “ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া” বলতে কী বুঝিয়েছেন, আমাদের সরকারের উচিত হবে তার কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া।’
তিনি আরও লেখেন, ‘ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন দেশ। তার এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে অবশ্যই বিভ্রান্তি তৈরি হবে।’
সরকারের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আমাদের সরকারের কাছে এ বিষয়টির সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।’
গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় বেনাপোল নো-ম্যানস ল্যান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় হাইকমিশন ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী মৃণাল ত্রিবেদী। পরে সড়কপথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের সাবেক বিধায়ক (এমএলএ) ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত অভিজ্ঞ ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের (আইএফএস) কর্মকর্তাদের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগের ক্ষেত্রে সেই প্রথার ব্যতিক্রম হয়েছে। দুই দেশের ৫৫ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








