Home লাইফ স্টাইল যে পাঁচটি সুন্নাত অনুসরণেই দাম্পত্য জীবনকে সহজেই সুখী করা যায়!

যে পাঁচটি সুন্নাত অনুসরণেই দাম্পত্য জীবনকে সহজেই সুখী করা যায়!

0

উম্মাহ অনলাইন: বিবাহের মাধ্যমে যে দাম্পত্য সম্পর্কের সূচনা হয় তা অটুট থাকা এবং আজীবন স্থায়ীত্ব লাভ করা ইসলামে কাম্য। সুখী দাম্পত্য জীবন একটি নেয়ামত।

আমরা আমাদের দৈনন্দিনের কাজ নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে একে অপরকে (স্বামী-স্ত্রী) সময় দিতে পারি না। সৌভাগ্যক্রমে আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে একটি নিখুঁত প্রতিকৃতি মানব জাতিকে উপহার দিয়েছেন। সেই প্রতিকৃতি অনুসরণের মাঝেই রয়েছে চূড়ান্ত সফলতা। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ককে সুখকর করে তোলার জন্য এখানে পাঁচটি শক্তিশালী নববী দিক-নিদের্শনা তুলে ধরা হলো।

১. একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে হাস্যোজ্জ্বল থাকা : আমাদের রাসুল (সা.) বেশিরভাগ সময়ই হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। এমনকি রাসুলের (সা.) স্ত্রীরা বলতেন যে, আমরা তার থেকে বেশি হাস্যোজ্জ্বল অবয়বময় আর কাউকে দেখিনি। আর আমরা এটা ভালোই করেই জানি, যে একটি হাসি কতটা শক্তিশালী হতে পারে। স্বামী-স্ত্রী সুখে এবং দুঃখে সব সময়ই এক সাথে থাকে। সুতরাং নিজেদের মুখ কালো না করে রেখে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাখাই হবে উভয়ের কতর্ব্য। এছাড়াও আমাদের নবী (সা.) বলেছেন, একটি হাসিও হতে পারে সদকা। (আল-হাদিস)

২. একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে ভালো কথা বলুন : আমাদের নবী (সা.) বলেন, যে আল্লাহকে এবং শেষ দিবসকে বিশ্বাস করে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (আল-হাদিস) এটা স্বামীদের জন্য অবশ্য কর্তব্য, বিশেষত যখন স্বামী-স্ত্রী কাছাকাছি থাকেন। সুতরাং প্রতিদিন আপনি আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করার চেষ্টা করুন।

৩. একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) ওপর রাগ করবেন না : যখন হজরত আলী (রা.) হজরত ফাতেমাকে (রা) বিবাহ করেছেন, তখন রাসূল (সা.) হজরত আলীকে (রা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিয়েছেন। উপদেশটা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে, আমাদের নবী (স.) সেটাকে তিনবার বলেছেন। উপদেশটি হলো- পারিবারিক কোনো কারণে তুমি স্ত্রীর প্রতি রাগ করবে না।

৪. স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুরতে বের হন : আমাদের রাসূল (সা.) স্ত্রীদের সাথে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি এক ছাদের নিচে আলাদা আলাদা থাকতেন না। নবী (সা.) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে হাঁটতে বের হতেন। ঘুরতে যেতেন। এমনকি বিভিন্ন কাজে তার পরামর্শও নিতেন।

৫. স্ত্রীকে বলুন, আমি তোমাকে ভালোবাসি : আল্লাহর নবী (সা.) কখনো এটা বলতে লজ্বাবোধ করেননি। ইসলামে এমনটা বলতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা এই কথা পারিবারিক অনেক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে।

সূত্র : মুসলিমস্টোরিজ.টপ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.