জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ দেওয়া শুরু করলেই ওয়াকআউট করে বের হয়ে যান বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।
আল জাজিরা, গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইরান, তুরস্ক ও কিউবাসহ ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করে বের হয়ে যান।
বিজ্ঞাপন
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার শনিবার ফেসবুক পোস্টে জানান, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভাষণ দেওয়ার পর বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল প্রবেশ করে।
আরও পড়তে পারেন-
- আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামের ভূমিকা
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন হুমকির মুখে না পড়ে
- সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণে দরকার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ও আলেমদের এগিয়ে আসা
- সালাম-কালামের আদব-কায়দা
- বিবি খাদিজা (রাযি.): ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নারী
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, শুধুমাত্র আরব ও মুসলিম নেতারাই অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেননি, তাদের সঙ্গে সঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান আফ্রিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরাও।
ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ৫০টির বেশি দেশের শতাধিক কূটনীতিক ওয়াকআউট করেছেন। যারা চেয়ারে বসে ছিলেন তাদেরও অনেককে হাততালি দিয়ে উদ্যাপন করতে দেখা যায়। একাধিক গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের জন্য সংরক্ষিত চেয়ারগুলোও ফাঁকা। তবে এটি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়নি।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইচ্ছে করেই গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দিমুক্তির প্রক্রিয়া ভন্ডুল করছে বলে বিবৃতি দিয়েছে হামাস। সংগঠনটির দাবি, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের আগেই কূটনীতিকদের উঠে যাওয়া প্রমাণ করে ইসরাইল বিশ্ব থেকে কতটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এক বিবৃতিতে হামাসের এই জ্যেষ্ঠ নেতা অভিযোগ করেন, নেতানিয়াহু আবারও ‘গণহত্যা, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ও পরিকল্পিতভাবে অনাহারে রাখার মতো অপরাধকে অস্বীকার করে মিথ্যা ও স্পষ্ট অস্বীকৃতি’ জানিয়েছেন।
উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ








