বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশন চলাকালে যে অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে, তা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই প্রতিফলন।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “এটা কোনো ব্যাপার না, আমরা এগুলো বড় করে দেখি না। অতীতেও বাংলাদেশে এমন ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগের এটা একটা কালচার।”
জাতীয় ঐক্যের বার্তা পৌঁছেছে
বিএনপি মহাসচিব বলেন,“মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে আমরা জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সফরসঙ্গী হয়েছিলাম। সেখানে আমাদের দায়িত্ব আমরা পালন করেছি। আমি মনে করি, বাংলাদেশের কথা বিশ্বের কাছে পৌঁছেছে।
আরও পড়তে পারেন-
- আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামের ভূমিকা
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন হুমকির মুখে না পড়ে
- সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণে দরকার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ও আলেমদের এগিয়ে আসা
- সালাম-কালামের আদব-কায়দা
- বিবি খাদিজা (রাযি.): ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নারী
প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঐক্য প্রদর্শনের জন্য দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এই সফর অবশ্যই সফল হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “জাতিসংঘ অধিবেশনের পাশাপাশি প্রবাসীদের সঙ্গে বৈঠকগুলো অত্যন্ত ইতিবাচক ছিল। সামগ্রিকভাবে এই সফর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
সফরসঙ্গীরা কারা ছিলেন
প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা ত্যাগ করেন। প্রায় দুই সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্র সফরে তার সফরসঙ্গী ছিলেন—
- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির
- জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের
- এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন
- এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা
- জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাজিবুর রহমান মোমেন (যিনি আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন)
উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ








