আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম তাদের সীমাহীন ও চূড়ান্ত আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশে সুশাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের প্রস্তাবিত খসড়ার ওপর মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন মন্ত্রণালয় ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, আমাদের এ সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের ঐক্যবদ্ধ শক্তি হাসিনার মতো চরম ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে পেরেছে। তারা আগামী দিনেও দেশে কোনো রাজনৈতিক ফ্যাসিজম গড়ে উঠতে দেবে না।
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, পদ্ধতিগতভাবে রাষ্ট্র মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে কোনো আইন দিয়ে তা রোধ করা অসম্ভব।
আরও পড়তে পারেন-
- আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামের ভূমিকা
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন হুমকির মুখে না পড়ে
- সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণে দরকার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ও আলেমদের এগিয়ে আসা
- সালাম-কালামের আদব-কায়দা
- বিবি খাদিজা (রাযি.): ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নারী
শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়া, গুম করা, আয়না ঘরে বন্দী রাখা, বিনা মামলায় দিনের পর দিন আটকে রাখা, রিমান্ডের নামে বেআইনিভাবে হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনগুলো সরাসরি শেখ হাসিনার নির্দেশে হয়েছে। তিনি প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়াকে আরও যুগোপযোগী করার পরামর্শ দেন।
প্যানেল আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন- জুলাই আন্দোলনের বীর শহীদ সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ শান্তি, ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি এলিস মগওয়া। এ প্যানেল আলোচনায় মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন মায়ের ডাক-এর সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম।
এর আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে দেশের আইন বিশেষজ্ঞ, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশন প্রধানরা অংশ নেন।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ







