দেশে নতুন বিদেশি বিনিয়োগে ধারাবাহিক পতন অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল–জুন প্রান্তিকে নতুন বিনিয়োগ কমেছে প্রায় ৬২ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতি ছাড়া এ ধারা থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বিদেশিরা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার নতুন বিনিয়োগ করেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এক বছরে কমেছে প্রায় ১৩ কোটি ডলার।
তবে মুনাফা পুনঃবিনিয়োগ বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে নিট এফডিআই এসেছে ৩০ কোটি ডলার, আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ বেশি।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সাবেক মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী বলেন, “দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত না হলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে না। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আস্থা তৈরি করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।”
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “সরকারি ও বেসরকারি খাতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ এখনো প্রত্যাশার তুলনায় কম। এ সমস্যা দ্রুত সমাধান করা কঠিন।”
সরকার জানিয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ২০৪৬ সালের মধ্যে ২০টি নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ








