ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে, তা নির্ধারণ করবে এবারের গণভোট। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটটি একটি বিশেষ ধরনের ভোট।
তিনি বলেন, এটি কেবল ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এর মাধ্যমে অনেকগুলো মৌলিক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, যার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশ কিভাবে পরিচালিত হবে।
আজ শনিবার রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে ‘গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় মতবিনিময় সভায়’ সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকা বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘আজকের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট, দু’টি ভোট একসাথে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আজকের মতবিনিময়ের মূল ফোকাস বা আলোচনার বিষয়বস্তু হলো গণভোট।’
সাধারণ ভোটারদের সচেতন করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা এখানে উপস্থিত আছি, তারা গণভোট এবং এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত। কিন্তু আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, সাধারণ মানুষকে আমরা এ বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন করতে পেরেছি কি-না। যেহেতু এ ভোটটি সচরাচর হয় না, তাই এ নিয়ে মানুষের অভিজ্ঞতা কম।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘আমার জানামতে, বাংলাদেশে ইতোপূর্বে দু’বার গণভোট হয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এটি তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।’
শরফ উদ্দিন আহমদ আরো বলেন, ‘এবারের গণভোটে জনগণের অংশগ্রহণ এবং তাদের সুচিন্তিত মতামত অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ ভোটারদের কাছে এ বার্তাটি পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।’
তিনি বলেন, সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর আস্থা রেখেছে। তাদের মাধ্যমেই সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রতিটি ভোটারের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চায়।
ছুটির দিনেও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আমাদের ওপর যে অর্পিত দায়িত্ব রয়েছে- সাধারণ ভোটারদের কাছে সঠিক বার্তাটি পৌঁছে দেয়া, তা আমরা যথাযথভাবে পালন করব, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।
উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ








