শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, জীবনমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে একটি দক্ষ জাতি গঠনে সরকার গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। তরুণ জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকার ইতোমধ্যে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় এবং মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাঙ্গনকে নকলমুক্ত করার মতো উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবার তরুণদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। জীবন ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করে দেশের উন্নয়নে সক্ষম মানবসম্পদ তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল বারী মজুমদার, উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফুল বারী মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ।
সভায় প্রতিনিধিরা দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী দক্ষ জাতি গঠনে তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক, গবেষকসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় দেশে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন দিক, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে কর্মমুখী শিক্ষা, তরুণদের দক্ষতা অর্জন এবং শিক্ষা জীবন শেষে তাদের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
আলোচনার শুরুতে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি ও অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রীকে ফুল ও ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়। কর্মব্যস্ততার মধ্যেও সময় দেওয়ায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা।
তারা জানান, দক্ষ জাতি গঠনে মন্ত্রীর পরিকল্পনা ও উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আগের মেয়াদে শিক্ষাঙ্গন নকলমুক্ত করতে ড. এহসানুল হক মিলন যেভাবে সফল হয়েছেন, এ মেয়াদেও দক্ষ জাতি গঠনের কর্মসূচিতে তিনি সফল হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
উল্লেখ্য, ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (এসডিআই)-এর পরিচালক হিসেবে এক বছর দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে পেশাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কারিকুলাম প্রবর্তন করা হয়।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ







