জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালে পুলিশ হত্যার অভিযোগে ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলা দায়েরের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে ম্যাজিস্ট্রেট মামলা গ্রহণ না করায় সেখানে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় নিহত এক পুলিশ সদস্যের পরিবারের সদস্য জালাল হোসেন এ মামলা দায়েরের চেষ্টা করেন। তিনি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালতে আবেদন করতে গেলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলা গ্রহণ না করলে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং হট্টগোলের চেষ্টা করা হয়।
মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, মৌলভীবাজারের জুড়ী থানার জানগিরাই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে জালাল হোসেন এ মামলার বাদী। অভিযোগে আসিফ মাহমুদের পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদার, হাসান মাহমুদসহ সারা দেশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া ৪২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিষয়টি ইতোমধ্যে মীমাংসিত হয়েছে এবং ওই সময়ের ঘটনাগুলোর জন্য ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শুধু আমরা নই, বিভিন্ন পর্যায়ের অনেক মানুষ গণঅভ্যুত্থানে যুক্ত ছিলেন। কেউ যখন গুলি করতে আসে, তখন আত্মরক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার। আত্মরক্ষার সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা আওয়ামী লীগের অনেকেই নিহত হয়েছেন।’
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, নতুন সরকার আসার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও জানিয়েছেন যে জুলাই সনদের মাধ্যমে দেওয়া ইনডেমনিটি বহাল থাকবে।
মামলার চেষ্টার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেন বা কী কারণে এখন এই মামলা করার চেষ্টা করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমি স্পষ্ট নই। তবে শুনেছি মামলা গ্রহণ না করায় সেখানে কিছু হট্টগোল হয়েছে।’
তার দাবি, এটি পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তির একটি ষড়যন্ত্র হতে পারে, যারা জুলাই আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








