আগামী ৭ এপ্রিল তিন দিনের সরকারি সফরে ভারতের রাজধানী দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। নতুন সরকার গঠনের পর এটি বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারি সূত্র জানায়, ৭ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সফরকালে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা, পারস্পরিক আস্থা ও মর্যাদার ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি দিল্লির অবস্থান বোঝার পাশাপাশি বাংলাদেশের অবস্থানও স্পষ্টভাবে তুলে ধরবে ঢাকা।
সফরের দ্বিতীয় দিন ৮ এপ্রিল ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন ড. খলিলুর রহমান। এছাড়া দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং জ্বালানিমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। সফরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও তার সঙ্গে থাকবেন।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে আলোচনায় থাকবে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ বিকল্প ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগ্রহী। এ প্রেক্ষাপটে ভারত থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি, বিশেষ করে ডিজেল আমদানির বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
এছাড়া গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ প্রায় শেষ হওয়ায় এর নবায়ন বা নতুন সমঝোতা নিয়েও আলোচনা হবে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা কারিগরি মূল্যায়ন চালাচ্ছেন।
সফরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬-২৭ মেয়াদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতা নিয়েও আলোচনা হতে পারে, যেখানে ভারতের সমর্থন কামনা করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, ভারত সফর শেষে ১১ ও ১২ এপ্রিল মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








