চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম আট দিনেই দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৯৭ দশমিক ৫ কোটি মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে এ অঙ্ক ছিল ৭৭ দশমিক ৫ কোটি ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্সে প্রায় ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৭১৮ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। গত অর্থবছরে একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ২৫৬ কোটি ডলার—অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি প্রায় ২০ দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বগতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে ডলারের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষায় রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
এর আগে মার্চ মাসেও রেমিট্যান্সে রেকর্ড গড়ে প্রায় ৩৭৭ কোটি ডলার দেশে আসে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ মাসিক প্রবাহ হিসেবে বিবেচিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বৈধ চ্যানেলে অর্থ প্রেরণ বৃদ্ধি, প্রণোদনা সুবিধা এবং প্রবাসীদের আস্থার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। পাশাপাশি হুন্ডি নিরুৎসাহিত হওয়ায় বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রবণতাও বেড়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড গড়া সম্ভব, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








