নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সংগ্রামে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সব নাগরিক, বুদ্ধিজীবী, তরুণ সমাজ ও গণতন্ত্রকামী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। গত ১৫ জুন যুক্তরাজ্যের লন্ডনে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল এলাকার মাইদা ব্যাংকুয়েটিং হলে ‘এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্স’ এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সহযোদ্ধা, এনসিপির নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এনসিপি ইউকে অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাকসুদুল হক শাকুর এবং মেম্বার সেক্রেটারি এম. এ. হিমেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুখ্য সংগঠক নাইমুল ইসলাম এবং এতে কনভেনিং কমিটির সম্মানিত সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
ঐতিহাসিক এই সংর্বধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউরোপীয় মুখপাত্র আবুবকর মোল্লা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এহতেশামুল হক এবং কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ। অন্যান্য রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আব্দুল কাদের সালেহ, এবি পার্টি যুক্তরাজ্যের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম, টাওয়ার হ্যামলেটস বারার সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার সাইফুদ্দিন খালেদ, ব্যারিস্টার আতাউর রহমান, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও কনস্টিটিউশনাল স্পেশালিস্ট ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ এবং লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তাইসির মাহমুদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রাম রাজপথে ও সংসদে অব্যাহত থাকবে। রাষ্ট্রের সব সেবা ও সুযোগ-সুবিধা সাধারণ মানুষের জন্য সমভাবে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিশেষ সুবিধা বা ভিআইপি সংস্কৃতির অংশ হবেন না বলেও দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








