দেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এ সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতদের আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরীর গুলশান বাসভবনে গোপন বৈঠক।
সূত্র জানায়, পশ্চিমা দেশগুলো খুন, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত নেতাদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত “পরিচ্ছন্ন” চেহারার নেতৃত্বে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠনের কৌশল নিয়ে আগাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় সাবের হোসেন চৌধুরীর নাম আলোচনায় এসেছে।
সাবেরের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, রাষ্ট্রদূতদের এ ধরনের সাক্ষাৎ “স্বাভাবিক ঘটনা”। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের সঙ্গে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের গোপন বৈঠক কূটনৈতিক প্রটোকলবিরোধী এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল।
আরও পড়তে পারেন-
- আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামের ভূমিকা
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন হুমকির মুখে না পড়ে
- সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণে দরকার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ও আলেমদের এগিয়ে আসা
- সালাম-কালামের আদব-কায়দা
- বিবি খাদিজা (রাযি.): ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নারী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ আলম ভুঁইয়া মন্তব্য করেন, যদি এই বৈঠক আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা হয়ে থাকে, তবে তা গণঅভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী হবে।
এর আগে মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনও সাবেরের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজনৈতিক মহল বলছে, এসব বৈঠকের উদ্দেশ্য হতে পারে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিদেশি কূটনীতিকদের এ ধরনের সক্রিয়তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ








