উচ্চ সুদের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। আগামী মুদ্রানীতিতে সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে বৈঠকে এ দাবি জানান এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএসহ ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর বলেন, “১০-১২ শতাংশ মুনাফা করে ১৪ শতাংশ সুদে ব্যবসা চালানো অসম্ভব। বিনিয়োগ টিকিয়ে রাখতে ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদ এক অঙ্কে নামানো জরুরি।”
গভর্নর জানান, আগামী মুদ্রানীতিতেই নীতি সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনা হবে। ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের সহায়তায় গঠিত কমিটির মেয়াদ বাড়ানো, ৫০ কোটি টাকার নিচে ঋণের জন্য বিশেষ সহায়তা কমিটি গঠন এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের ব্যাংকিং সমস্যা সমাধানে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি করার প্রস্তাব দেন—যা গভর্নর নীতিগতভাবে মেনে নিয়েছেন।
আরও পড়তে পারেন-
- আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ইসলামের ভূমিকা
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন হুমকির মুখে না পড়ে
- সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণে দরকার বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ও আলেমদের এগিয়ে আসা
- সালাম-কালামের আদব-কায়দা
- বিবি খাদিজা (রাযি.): ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নারী
বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে বেসরকারি বিনিয়োগ ও ঋণ প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে কম পর্যায়ে নেমেছে, খেলাপি ঋণ বেড়ে ২৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ব্যাংক খাতের দুর্বলতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে দেশের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা বলছেন, অর্থনীতি এখন ‘আইসিইউ’-তে টিকে থাকার মতো অবস্থায় আছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ








