Home জাতীয় নির্বাচনী ট্রেন থামাতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, এবার সেনাবাহিনীকে টার্গেট

নির্বাচনী ট্রেন থামাতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, এবার সেনাবাহিনীকে টার্গেট

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুসের মন্তব্য — “নির্বাচনী ট্রেন চলতে শুরু করেছে” — পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকদফা রাজনৈতিক বিতর্ক ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষক ও সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনী পথকে বাধাগ্রস্ত করতে অস্থিরতা সৃজন, দেশে বিদেশি মানচিত্রভিত্তিক কৌশল প্রয়োগ ও আওয়ামী লীগের কিছু শাখাকে পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে নানা পরিকল্পনা চলছে; এতে সেনাবাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

টপিকে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট যোগ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে — দিল্লির কিছু থিংকট্যাংক, দেশের স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ও পলাতক নেতাদের অর্থায়ন মিলিয়ে ‘পিআর পদ্ধতি’, স্থানীয় নির্বাচন বা গণভোটের মতো ফর্মুলা সামনে আনা হচ্ছে, যাতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সুবিধা তৈরি করা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুম-মামলা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিষয়কে নিয়ে প্রচারণা চলছে; এতে সেনাবাহিনী ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে টান তৈরি করার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গত ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত সরকারের কয়েকজন সিনিয়র নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে মামলাটি নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। এতে নথিভুক্ত কয়েকজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তার নাম থাকায় বিরোধিতার ভীতি এবং সামাজিক মিডিয়ায় উস্কানিমূলক প্রচারণা তীব্র হয়েছে—এ বিষয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়তে পারেন-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও অন্যান্য বিশ্লেষকরা মনে করেন, যে কোনো মামলাকে রাজনৈতিক রঙ্গভূমিতে টেনে এনে সেনাবাহিনী ও সরকারের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়া দেশের স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর। তারা বলছেন, অপরাধ করলে ব্যক্তিগত দায়িত্ব চাপানো উচিত — প্রতিষ্ঠানগত স্তরে নয় — এবং যথাযথ বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যেই বিষয় সমাধান করা যেতে পারে।

প্রতিপক্ষের দাবিও রয়েছে—অপরদিকে কেউ বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টার নীতিগত দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার মেয়াদ সংক্রান্ত প্রশ্ন পাকিস্তা-নির্ভর তত্ত্বগুলোর সুযোগ দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করলে নির্বাচনী পথ দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং তা রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

বহু পর্যবেক্ষকই বলছেন, নির্বাচন শচ্ছন্দভাবে সম্পন্ন করতে স্বচ্ছতা, সমন্বিত শাসন এবং সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি; আদালত ও নিরাপত্তা বাহিনীর সুপ্রতিষ্ঠিত ভূমিকা বজায় রাখা হলে শঙ্কা ও বিভ্রান্তি কমাবে। নির্বাচন-প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচারের প্রসঙ্গকে রাজনৈতিক স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করতে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান করে বিশ্লেষকরা।

উম্মাহ২৪ডটকম: আইএএ

উম্মাহ পড়তে ক্লিক করুন-
https://www.ummah24.com

দেশি-বিদেশি খবরসহ ইসলামী ভাবধারার গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে ‘উম্মাহ’র ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।