আজ (২৮ ডিসেম্বর) রবিবার আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান জামিয়া আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারীতে দারুল উলূম দেওবন্দের আদলে— বিগত ১৪৪৫-৪৬ হিজরী শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক পরীক্ষায় মুমতাজ বিভাগে উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কৃার বিতরণ করা হবে।
পুরষ্কার বিতরণী সভায় জামিয়া মহাপরিচালক হযরত আল্লামা মুফতি খলীল আহমদ কাসেমী (দা.বা.), সদরুল মুদাররেসীন ও শায়খুল হাদীস হযরত আল্লামা শেখ আহমদ (দা.বা.), শিক্ষাসচিব হযরত আল্লামা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ (দা.বা.)সহ জামিয়ার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মুহাদ্দিস, মুফতি এবং শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
ইতোমধ্যে পুরস্কার বিতরণী সভার সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। এ উপলক্ষে জামিয়ার শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।
জামিয়ার কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরণ প্রসঙ্গে শিক্ষাসচিব আল্লামা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ বলেন, “শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে পুরস্কার বিতরণ এক অনন্য উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি এবং তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে এই উদ্যোগ। প্রতি বছর কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান তাদের কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে কাজ করে, যা অন্যদেরও আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগায়। দারুল উলূম দেওবন্দসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণের প্রচলন আছে। আলহামদুলিল্লাহ, দারুল উলূম হাটহাজারীতেও গত কয়েক বছর ধরে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে”।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
আল্লামা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ আরও বলেন, “পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা এবং পরিশ্রমের মূল্যায়ন করা হয়। এটি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং ভবিষ্যতে আরও সাফল্যের জন্য অনুপ্রাণিত করে। অভিভাবক এবং শিক্ষকরাও এই উদ্যোগের মাধ্যমে সন্তুষ্টি পান। কারণ, এটি শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের মনোযোগী ও উৎসাহিত হওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যমও বটে”।
তিনি বলেন, “কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মানসিক এবং সামাজিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শুধু মেধাবীদের জন্য নয়, বরং সকলের জন্য শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় ও লেখা-পড়ার উন্নত মান গঠনের মাধ্যমে দ্বীনি শিক্ষার বিস্তার ও খিদমত আঞ্জামসহ বহুমুখী অগ্রগতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সহায়ক হয় বলে মনে করি”।
আল্লামা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ আজকের পুরষ্কার বিতরণী সভা সফল ও সার্থক হওয়ার জন্য সকলের বিশেষ দোয়া কামনা করেন।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ







