মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দেয়া বন্ধ না করলে দেশটির সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনায় বসবে না ইরান। গেল শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এমন মন্তব্য করেছেন।
তুরস্কের ইস্তাম্বুল সফরের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরাগচি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে যেকোনো আলোচনা হতে হবে ‘ন্যায়সংগত ও সমমর্যাদার’ ভিত্তিতে। হুমকির মাধ্যমে কখনোই কোনো আলোচনা শুরু হতে পারে না।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সম্ভাব্য আলোচনা কখন বা কী উপায়ে হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। আরাগচি জানান, এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো বৈঠকের সূচি ঠিক হয়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘হুমকির মুখে কোনো আলোচনা হতে পারে না।’
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো অবস্থাতেই কারও কোনো ‘হুকুম’ বা চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত মেনে নেব না। তবে যেকোনো অর্থবহ, যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে ইরান প্রস্তুত।’ একই সঙ্গে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ইরানের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস করা হবে না।
ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশটিকে নিয়মিত সামরিক হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা, ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ এবং আরব বিশ্বের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দেওয়া সমর্থন বন্ধে ইরানকে বাধ্য করতেই এমন অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভীতি প্রদর্শন করে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা যাবে না।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








