যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হামলার প্রথমদিনই আহত হয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, সেটাই হয়েছে। আমার ধারণা তিনি আহত, কিন্তু কোনোভাবে তিনি এখনো বেঁচে আছেন।’
ইরানের নতুন নেতার লিখিত বার্তা প্রকাশের পর এটিই এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম প্রতিক্রিয়া।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালেও ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা সামরিক, অর্থনৈতিকসহ সব দিক দিয়ে ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেব।’
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের নৌবাহিনী শেষ। বিমানবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, সবকিছু ধ্বংস করা হচ্ছে। এমনকি তাদের নেতাদেরও আর দেখা যাচ্ছে না।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আমাদের কাছে অতুলনীয় সামরিক শক্তি, সীমাহীন গোলাবারুদ এবং পর্যাপ্ত সময় রয়েছে।’
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তারা গত ৪৭ বছর ধরে সারা বিশ্বে নিরীহ মানুষ হত্যা করে আসছে। আর এখন আমি, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে, তাদের হত্যা করছি। এটি করতে পারা আমার জন্য বড় সম্মানের।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। তবে এই ঘোষণা এমন সময়ে আসে, যখন তার সুস্থতা নিয়ে নানা খবর গণমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে।
এর আগে সাইপ্রাসে ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা সালারিয়ান ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, তিনি শুনেছেন যে মোজতবা খামেনির হাত, পা ও বাহুতে আঘাত লেগেছে এবং আহত অবস্থায় তিনি হাসপাতালে থাকতে পারেন। এমন অবস্থায় কোনো বক্তব্য দেয়া তার জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের নয়। সূত্র: বিবিসি।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








