সউদী আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং বা জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী এ সংবাদমাধ্যমটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সউদী আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে পার্ক করে রাখা মার্কিন বাহিনীর পাঁচটি বোয়িং কেসি-১৩৫ স্ট্রাটোট্যাঙ্কার বিমান ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিমানগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে। এ হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে এসব রিফুয়েলিং বিমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানগুলোকে দীর্ঘ সময় আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় জ্বালানি সরবরাহে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ডব্লিউএসজে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ নিয়ে মার্কিন বিমান বাহিনীর মোট সাতটি রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
এদিকে এ খবর এমন সময়ে সামনে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন-ইসরাইল জোটের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন ক্রু সদস্য নিহত হন।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বিমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও সউদী আরবে ইরানি হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি মার্কিন সামরিক সরঞ্জামে ইরানের এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান ও ইসরাইল-মার্কিন জোটের সংঘাত ইতোমধ্যে সউদী আরব ও কুয়েতসহ আশপাশের দেশগুলোর ভূখণ্ডেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








