দেশের ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা বাড়াতে জাতীয় সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তালিকায় বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের ৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তালিকা উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।
প্রকাশিত তালিকায় এস আলম গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত ৯টি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস. আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেড, চেমন ইসপাত লিমিটেড, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড ও ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে এস আলম গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। গ্রুপটির চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে একাধিক তদন্ত চলছে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
বিভিন্ন মহলে অভিযোগ রয়েছে, গ্রুপটি প্রভাব খাটিয়ে একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। একই সঙ্গে শেল কোম্পানি ও জামানতবিহীন ঋণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে, যা ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া বিদেশে সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বলে জানা গেছে।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








