পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আসন্ন বৈঠকে ইরান তাদের প্রস্তাবিত ‘১০ দফা পরিকল্পনা’কে আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করেছে। শুক্রবার তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানান ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত রাভানচি।
তিনি বলেন, ইরান কূটনীতি ও সংলাপের পক্ষে, তবে তা হতে হবে স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত। কোনো ধরনের নিশ্চয়তা ছাড়া যুদ্ধবিরতি টেকসই হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
ইরানের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে—অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যতে আগ্রাসন না চালানোর আইনি নিশ্চয়তা।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
রাভানচি অভিযোগ করেন, কূটনৈতিক আলোচনার মাঝেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। তবে ইরানের প্রতিরোধের কারণে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে। এই সময়ের মধ্যেই ইসলামাবাদে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ইরান বলছে, এটি চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








