ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক ‘উচ্চাভিলাষী শর্ত’ মেনে নেয়নি তেহরান। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ও শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে।
ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য কোনো চুক্তির অগ্রগতি অনেকটাই নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘অযৌক্তিক দাবি’ পরিবর্তন করে কি না তার ওপর। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালি ইস্যুটি এখনো অন্যতম বড় বিরোধের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দুই পক্ষের বিশেষজ্ঞরা এখনো সমঝোতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে কাজ করছেন। একই সঙ্গে পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীরাও মতপার্থক্য কমিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ফার্সের সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিল থেকে সরে যাওয়ার একটি অজুহাত খুঁজছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই তারা আলোচনায় বসেছিল বলেও দাবি করা হয়। তবে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সত্ত্বেও ওয়াশিংটন তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
এদিকে ইসলামাবাদে প্রায় ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠকের পর কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। রোববার (১২ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যা ইতিবাচক। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো যায়নি।”
ভ্যান্স আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘রেড লাইন’ স্পষ্ট করেছে, কিন্তু ইরান সেসব শর্তে রাজি হয়নি। ফলে আলোচনায় কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি।
সূত্র/- ফার্স নিউজ, আল জাজিরা
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








