ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকাশ। ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল প্রকাশিত হওয়ায় এই আসনগুলোর ভিত্তিতেই সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আদালতের নির্দেশে চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফল স্থগিত রয়েছে। অন্যদিকে প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকলেও তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে বর্তমানে ২৯৭টি আসনের বিপরীতেই সংরক্ষিত আসন বণ্টনের প্রক্রিয়া চলছে।
নির্বাচনে বিএনপি জোটবদ্ধভাবে অংশ নিয়ে বড় জয় পেয়েছে। দলটি এককভাবে ২০৯টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। পাশাপাশি জোটের শরিক গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি একটি করে আসন পেয়েছে। সব মিলিয়ে বিএনপি জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ২১২টি।
আইন অনুযায়ী প্রতি ছয়টি সাধারণ আসনের জন্য একটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হওয়ায় বিএনপি জোট অন্তত ৩৫টি সংরক্ষিত আসন পেতে পারে। বাকি আসনগুলোর ফল চূড়ান্ত হলে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী জোট এককভাবে ৬৮টি আসনসহ শরিক দলগুলোর নিয়ে মোট ৭৭টি আসন পেয়েছে। সেই হিসাবে এই জোট ১২ থেকে ১৩টি সংরক্ষিত আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয় পেয়েছে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, স্বতন্ত্ররা একত্রিত হলে তারা অন্তত একটি সংরক্ষিত আসন পেতে পারেন।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তাদের জোট ২২৩টি আসনে জয় লাভ করেছিল। পরে সংরক্ষিত নারী আসনের বেশিরভাগই তাদের দখলে যায়।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








