সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী সময়ে পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এসব আইনকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।
রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, “যারা বলছেন আমরা শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন চাই না, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় চাই না কিংবা বিচারপতি নিয়োগে স্বচ্ছতা চাই না—তাদের জন্য এটি একটি স্পষ্ট বার্তা।” তিনি জানান, বিএনপি তাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আইনগুলোকে আরও উন্নত ও কার্যকর করতে চায় এবং জনগণের যৌক্তিক দাবিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতার কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদে উপস্থাপন করা হয়। পরে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
বিশেষ কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে গত ২ এপ্রিল সংসদে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে উত্থাপন করা হয় এবং সেগুলোর ওপর বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ








