ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে চলমান সংলাপে নিরাপত্তা গ্যারান্টি এবং হিজবুল্লাহর অনড় অবস্থানের কারণে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সীমান্তজুড়ে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকায় উভয় দেশই সামনের দিনগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা করছে।
কূটনৈতিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু অমীমাংসিত বিষয় রয়েছে। ইসরাইল তাদের নিরাপত্তার জন্য আরো জোরালো গ্যারান্টি চাইছে এবং হিজবুল্লাহর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের দাবি তুলেছে।
অন্যদিকে, লেবানন একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং তাদের দক্ষিণ সীমান্ত থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের ওপর জোর দিচ্ছে।
আরও পড়তে পারেন-
- মুসলিম উম্মাহর সংকটকাল: ঐক্য ও ত্যাগের শক্তিই উত্তরণের পথ
- ইতিহাসের পাঠ আত্মস্থ করতে পারলে সঠিক পথনির্ধারণ সহজ হয়
- বাজার আর বইয়ের দোকানে সমাজের আয়না
- প্রয়োজন এক নতুন শিক্ষাব্যবস্থার
- সেক্যুলার চিন্তা যেভাবে আমাদের দ্বীনি মা-বোনদের আক্রান্ত করছে
তবে এই আলোচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা হয়ে দাঁড়িয়েছে হিজবুল্লাহর ঘোষণা। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, এই সংলাপ থেকে কোনো ফ্রেমওয়ার্ক বা রূপরেখা তৈরি হলেও তারা তা মেনে চলবে না। হিজবুল্লাহর এই অবস্থান ভবিষ্যতে যেকোনো সমঝোতা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে।
তা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন এবং মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কূটনৈতিক মহলে এই আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের দীর্ঘ সংঘাতের ইতিহাস বিবেচনায় নিয়ে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের সংলাপ শুরু হওয়াটাই একটি বড় ধরনের অগ্রগতি।
সূত্র: আলজাজিরা
উম্মাহ২৪ডটকম: এমএ







